আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ফেনীর দাগনভূঞায় পশুর হাটের আকর্ষণ বিশাল আকৃতির একটি ‘তোতাপুরি’ খাসি। রাজকীয় চেহারা, চমৎকার গঠন ও সৌন্দর্যের কারণে দৃষ্টিনন্দন এ খাসিটি ক্রেতাদের নজর কেড়েছে।
নতুন প্রজাতির এ তোতাপুরি খাসি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দূর-দূরান্তের ক্রেতা ও উৎসুক জনতা।
সরেজমিনে জানা যায়, দাগনভূঞার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বৈরাগির হাট এলাকার বাসিন্দা মো. ইলিয়াস সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পরম যত্নে দীর্ঘ ২২ মাস ধরে খাসিটি লালন-পালন করে আসছেন। তোতা পাখির আকৃতির মতো দৈহিক গঠনের কারণে এটির নাম রাখা হয়েছে ‘তোতাপুরি’।
খামারি মো. ইলিয়াস যুগান্তরকে বলেন, প্রায় ৫০-৫৫ কেজি ওজনের এ খাসিটির দাম চাচ্ছি এক লাখ টাকা। খাসিটি এখন আমাদের পরিবারেরই একটি অংশ হয়ে গেছে। ছোটবেলা থেকে অত্যন্ত যত্ন নিয়ে একে বড় করেছি। কোনো ধরনের কৃত্রিম মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়া বা ক্ষতিকর হরমোন ও ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি। নিয়মিত কাঁচা ঘাস, ভুষি ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিচর্যার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। ২২ মাসে খাসিটির লালন-পালনের জন্য হাজার হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। প্রতিদিন নিয়ম করে গোসল করানো, ঘর পরিষ্কার রাখা ও সময়মতো সুষম খাদ্য দেওয়ার কারণে খাসিটি অত্যন্ত সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান রয়েছে।
এত বড় ও আকর্ষণীয় খাসি সচরাচর দেখা যায় না। খামারির অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই খাসিটি এতো সুন্দর হয়েছে। আসন্ন কোরবানির হাটে খাসিটি ভালো দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় প্রতিবেশীরা।
এ জাতীয় আরো খবর..