✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

২৫ বছর পূর্বের বিস্ফোরণের ধোঁয়া-গ্যাস আজও ছড়াচ্ছে মহাশূন্যে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৮, | ১৩:৫৭:৪৫ |

মহাকাশ মানেই স্থির—এমনটাই আমরা ভাবি। কিন্তু বাস্তবটা ভিন্ন। আকাশের এক কোণে এখনও ছুটে চলছে এক ভয়ংকর বিস্ফোরণের চিহ্ন। প্রায় এক হাজার বছর আগে এক তারা বিস্ফোরিত হয়েছিল। সেই বিস্ফোরণের ধোঁয়া-গ্যাস আজও ছড়িয়ে যাচ্ছে মহাশূন্যে।

নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপ সম্প্রতি ‘ক্র্যাব নীহারিকা’র (একটি বিস্ফোরিত তারার অবশিষ্ট অংশ) দেখা পেয়েছে। আগের ছবির সঙ্গে নতুন ছবি মিলিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, গত ২৫ বছরে এটি আরও বড় হয়েছে এবং আকার বদলেছে।

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি জানায়, এই নীহারিকাটি ১০৫৪ সালে একটি তারা বিস্ফোরণের ফলে তৈরি হয়। তখন এটি এত উজ্জ্বল ছিল যে দিনের বেলাতেও দেখা গিয়েছিল। এখন এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৬,৫০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থান করছে।

হাবলের ছবিতে দেখা গেছে, নীহারিকার ভেতরের গ্যাস ও ধূলিকণা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এই গ্যাসের লম্বা সরু রেখাগুলো ঘণ্টায় প্রায় ৩.৪ মিলিয়ন মাইল গতিতে বাইরে ছুটছে।

বিজ্ঞানীরা বলেন, এই বিস্তার হচ্ছে কেন্দ্রের একটি ‘পালসার’ (এক ধরনের শক্তিশালী ঘূর্ণায়মান তারার অবশিষ্ট অংশ) থেকে আসা শক্তির কারণে। এটি চারপাশের গ্যাসকে ঠেলে বাইরে পাঠাচ্ছে।

গবেষক উইলিয়াম ব্লেয়ার বলেন, আকাশকে আমরা স্থির ভাবলেও আসলে তা নয়। হাবলের দীর্ঘ পর্যবেক্ষণে বোঝা যায়—মহাকাশও বদলাচ্ছে, নড়ছে, বাড়ছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, এই গবেষণা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি দেখায়, কীভাবে একটি তারার মৃত্যু থেকে তৈরি হওয়া নীহারিকা সময়ের সঙ্গে বদলায়। আর এই পরিবর্তন এখন মানুষের জীবনকালেই চোখে দেখা যাচ্ছে—যা আগে কল্পনাও করা যেত না।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..