✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ইতিহাস গড়ল সৌদি

প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় যুক্ত হচ্ছে নারীরা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১২, | ২২:৪৯:৫০ |

পবিত্র কুরআনের খেদমতে নতুন এক ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছে সৌদি আরব। দেশটির ঐতিহ্যবাহী ও বিশ্বজুড়ে সম্মানিত ‘বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তেলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতা’-য় এবার প্রথমবারের মতো যুক্ত করা হয়েছে নারী বিভাগ। ফলে আসন্ন ৪৬তম আসরে নারী প্রতিযোগীরাও আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ সম্প্রতি এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিয়েছেন। রোববার (১০ মে) সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)-এর বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে আরব নিউজ।

প্রতিবছর মক্কার পবিত্র মসজিদ আল-হারামে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা মুসলিম বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ কুরআনিক আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

এসপিএ জানায়, সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রী শায়খ ড. আবদুল লতিফ বিন আবদুল আজিজের একটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই অনুমোদন দিয়েছেন বাদশাহ সালমান। ১৯৭৯ সালে প্রতিযোগিতাটি চালুর পর এবারই প্রথম নারী হাফেজদের জন্য সরকারিভাবে অংশগ্রহণের দ্বার খুলে দেওয়া হলো।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগকে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে ‘একটি বড় মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, এর মাধ্যমে বিশ্বের নারী ও পুরুষ— উভয় শ্রেণির কুরআনের খাদেমদের জন্য সমানভাবে এই আন্তর্জাতিক মঞ্চ উন্মুক্ত হলো।

জানা গেছে, এ বছরের প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ আগস্ট।

মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ আল-শেখ এই সিদ্ধান্তের জন্য বাদশাহ সালমান এবং ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ পবিত্র কুরআনের প্রচার ও প্রসারে সৌদি নেতৃত্বের আন্তরিকতার প্রতিফলন। পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি স্তরে নারীদের মেধা, যোগ্যতা ও অবদানের প্রতি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিরও একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, আসন্ন প্রতিযোগিতাকে ঘিরে ইতোমধ্যে সব ধরনের সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এবারের আয়োজনকে আরও নিখুঁত, সুশৃঙ্খল ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য সৌদি আরবের মক্কায় আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রতি বছর বিশ্বের শতাধিক দেশ থেকে নির্বাচিত হাফেজরা অংশগ্রহণ করেন। নারী বিভাগ চালুর ফলে এবারের আসরটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বৈচিত্র্যময়, অংশগ্রহণমূলক ও ঐতিহাসিক হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..