সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

অবাক করা বাঁক নিল বিশ্বের বৃহত্তম যাত্রীবাহী বিমান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২৯, | ১২:৫৫:২২ |
আকাশে যেন এক মহাকাব্যিক দৃশ্যের অবতারণা ঘটালো বিশ্বের বৃহত্তম যাত্রীবাহী বিমান এয়ারবাস এ৩৮০ (Airbus A380)। সম্প্রতি একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিশালকায় এই বিমানটি অত্যন্ত খাড়াভাবে একটি মোড় বা বাঁক নিয়েছে, যা বিমানটির সাধারণ উড্ডয়ন সীমাকে ছাড়িয়ে গেছে। অবিশ্বাস্য এই দৃশ্য দেখে প্রত্যক্ষদর্শী ও বিমান বিশেষজ্ঞরা রীতিমতো স্তম্ভিত।

৩ মিনিটস অফ অ্যাভিয়েশন (3 Minutes of Aviation) নামক ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যের কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশে বিশাল এই এয়ারবাসটি অত্যন্ত খাড়াভাবে হেলে একটি কঠিন বাঁক নিচ্ছে। সাধারণত একটি যাত্রীবাহী বিমান, বিশেষ করে এ৩৮০-এর মতো বিশালাকৃতির বিমানের ক্ষেত্রে এমন দুঃসাহসিক কসরত বা ম্যানুভার দেখা যায় না।

ভিডিওতে বিমানটির রং স্পষ্টভাবে বোঝা না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে, এটি এয়ারবাসের প্রাথমিক কোনো প্রোটোটাইপ বা পরীক্ষামূলক সংস্করণ। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া দেখে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি কোনো বাণিজ্যিক ফ্লাইট ছিল না বরং একটি পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন ছিল। এয়ারফ্রেম বা বিমানের কাঠামো এমন পরিস্থিতিতে কেমন আচরণ করে, তা পরীক্ষা করতেই মূলত এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক নেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানটি তার স্বাভাবিক ৩০ ডিগ্রি ব্যাংক অ্যাঙ্গেল (ডান বা বামে হেলে পড়ার মাত্রা) অতিক্রম করেছে। যদিও আইনত এবং যান্ত্রিকভাবে এই বিমানটি ৩৩ ডিগ্রি পর্যন্ত হেলতে সক্ষম, তবুও বিশাল এই আকারের জন্য এমন খাড়া বাঁক নেওয়া অত্যন্ত বিরল এবং সাহসী পদক্ষেপ। কোনো এয়ারশো বা প্রদর্শনীতে বিমানের সক্ষমতা তুলে ধরার জন্যও এমন কসরত দেখানো হয়ে থাকে।

২০০৭ সালে যখন এয়ারবাস এ৩৮০ প্রথম চালু হয়, তখন একে বাণিজ্যিক বিমান চালনার ইতিহাসে এক বিশাল বিপ্লব হিসেবে দেখা হয়েছিল। বোয়িং ৭৪৭-এর একাধিপত্য ভাঙতে এবং দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইটে বিলাসবহুল অভিজ্ঞতা দিতেই এটি তৈরি করা হয়েছিল।

কারিগরীভাবে এটি একটি সফল বিমান হলেও বাণিজ্যিক দিক থেকে এটি এয়ারবাসের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। অতিরিক্ত নির্মাণ ব্যয় এবং জ্বালানি খরচের কারণে অনেক এয়ারলাইন্স এটি পরিচালনা করা থেকে পিছিয়ে এসেছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ১৫টি অপারেটরের মধ্যে ৫টি ইতিমধ্যে তাদের বহর থেকে এ৩৮০ স্থায়ীভাবে সরিয়ে নিয়েছে। তবে আকাশপ্রেমী এবং বিমান বিশেষজ্ঞদের কাছে এটি এখনও এক পরম বিস্ময়ের নাম।

সূত্র: সুপারকার ব্লন্ডি

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..