✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

নিলামে ভারতীয় ছবির নতুন রেকর্ড

১৮ মিলিয়ন ডলারে রবি বর্মার চিত্রকর্ম কিনলেন ধনকুবের সাইরাস পুনাওয়ালা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-০৪, | ১৭:৪০:৪৩ |
ভারতীয় চিত্রকলার ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী রাজা রবি বর্মার একটি ছবি নিলামে রেকর্ড দামে বিক্রি হয়েছে।

১ এপ্রিল মুম্বাইয়ের ‘স্যাফরনআর্ট’ নিলাম কেন্দ্রে শিল্পী রবি বর্মার ‘যশোদা ও কৃষ্ণ’ ছবিটি ১৭ দশমিক ৯ মিলিয়ন বা ১ কোটি ৭৯ লাখ ডলারে বিক্রি হয়। দক্ষিণ এশীয় কোনো চিত্রকর্মের ক্ষেত্রে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড।


ছবিটি কিনেছেন ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা সাইরাস পুনাওয়ালা। ১৮৯০-এর দশকে আঁকা এ তৈলচিত্রে দেখা যায়, শিশু কৃষ্ণের হাতে একটি সোনার পাত্র এবং তার মা যশোদা গরু দোহন করছেন। রাজা রবি বর্মাকে আধুনিক ভারতীয় শিল্পের জনক বলা হয়। তিনি পশ্চিমা বাস্তববাদী শৈলীর সঙ্গে ভারতীয় পৌরাণিক বিষয়বস্তুর সংমিশ্রণ ঘটিয়ে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

নিলামে ছবিটির প্রাথমিক দাম ধরা হয়েছিল ৮৬ লাখ থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ডলার। তবে নিলাম শেষে তা ১ কোটি ৭৯ লাখ ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। এর আগে দক্ষিণ এশীয় চিত্রকলার এ রেকর্ড ছিল শিল্পী এমএফ হুসেনের ‘গ্রাম যাত্রা’ ছবির দখলে। ২০২৫ সালের মার্চে নিউইয়র্কে ছবিটি ১ কোটি ৩৭ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে সে রেকর্ড ভেঙে দিলেন রবি বর্মা।

উল্লেখ্য, রাজা রবি বর্মার শিল্পকর্মগুলো ভারতের ‘জাতীয় সম্পদ’ হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৭২ সালের আইন অনুযায়ী, এ অমূল্য সম্পদগুলো দেশের বাইরে নেয়া নিষিদ্ধ। এ কারণে ছবিটি দেশের বাইরে বিক্রির সুযোগ ছিল না বলে কোনো ভারতীয় সংগ্রাহকেই এটি সংগ্রহ করতে হতো। কেনার পর সাইরাস পুনাওয়ালা এক বিবৃতিতে জানান, এ জাতীয় সম্পদের মালিক হওয়া গর্বের বিষয়। তিনি ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষের দেখার জন্য ছবিটি মাঝে মাঝে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করবেন। খবর দ্য আর্ট নিউজপেপার

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..