✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

সর্বত্র বন্ধু থাকলেও কারও কাছ থেকে সুবিধা পাচ্ছে না ভারত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-১৯, | ১৩:৩৯:২৮ |
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন’নীতির ওপর ভর করে বৈশ্বিক কূটনীতিতে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে ভারত। এ সময় দেশটি বিশ্বের প্রায় সব প্রভাবশালী জোট ও সংস্থায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে। কোয়াডের মাধ্যমে আমেরিকা, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার মাধ্যমে চীন, ব্রিকসের মাধ্যমে রাশিয়া এবং আইটুইউটুর মাধ্যমে ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রেখেছে নয়াদিল্লি।

নীতিনির্ধারকদের মতে, ভারতের কৌশল ছিল জাতীয় স্বার্থে সবার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা, তবে কারো সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ না হওয়া। এই ভারসাম্য রক্ষার কূটনীতিই দীর্ঘদিন ধরে দেশটির বৈশ্বিক অবস্থান নির্ধারণ করেছে। দেশটির কর্মকর্তারা প্রতিবেশী থেকে শুরু করে পরাশক্তিগুলোকে লক্ষ্য করে তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেন।

মোটা দাগে ভারতের পররাষ্ট্রনীতিতে তিনটি বিষয় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে; দেশটির বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রতিবেশী দেশগুলোতে সন্ত্রাস দমন এবং দেশের জন্য তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা। তবে ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এই তিন ক্ষেত্রেই নতুন করে ঝুঁকি তৈরি করেছে, বিশেষ করে তেল ও গ্যাস সরবরাহে।

এই প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে নয়াদিল্লির। ইতোমধ্যেই কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে দুটি ভারতীয় গ্যাসবাহী ট্যাংকার চলাচলের অনুমতি দিয়েছে তেহরান।

কিন্তু রয়টার্স জানিয়েছে, এখনো ভারতের ২২টি জাহাজ ওই অঞ্চলের জলসীমায় আটকা রয়েছে। কিন্তু এই জাহাজগুলো শুধু মোদির আহ্বানে ছাড়া হবে না। ভারতের কাছে জব্দ ইরানের তিন জাহাজ ফিরিয়ে দেওয়া অথবা তেহরানে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোর বিনিময়ে জাহাজগুলো ছাড়া হতে পারে।

তেহরানের আস্থা অর্জন করতে হলে ভারতকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে হবে। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কমার কারণে ভারতকে কিছু রুশ তেল কেনার অনুমতি দেওয়া হবে। তবে নয়াদিল্লি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ট্রাম্পের এই ছাড়ের বিষয়টি বজায় থাকবে কি না, তা অনিশ্চিত।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..