ইরানের দক্ষিণে মেয়েদের একটি স্কুলে হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে চলছে নিন্দার ঝড়। ইরানের দাবি, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র এই নারকীয় হামলার জন্য দায়ী। তবে প্রমাণাদি ছাড়াই ডোনাল্ড ট্রাম্প দায় চাপিয়েছে খোদ ইরানের দিকেই।
শনিবার (৭ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ওই স্কুলে হামলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয়। স্কুলটিতে হামলা হলে প্রায় ১৬৫ জনেরও বেশি স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হয়। ট্রাম্প জানান, এমন কাজ ইরানই করেছে।
এয়ার ফোর্স ওয়ানকে ট্রাম্প বলেন, ‘না (যুক্তরাষ্ট্র দায়ী না)। আমার মতে, আমি যা দেখেছি তার ভিত্তিতে বলছি—এটা ইরানই করেছে।
এসময় ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটে হেগসেথ কিছুটা সতর্ক সুরে বলেন, সরকার এখনো হামলার ঘটনাটি ‘তদন্ত করছে।’ তবে তিনি যোগ করেন, ‘বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানায় শুধু ইরান।’
হেগসেথের বক্তব্যের পর ট্রাম্প আবারও জোর দিয়ে বলেন, ‘এটা ইরানই করেছে।’
এই হামলা নিয়ে ট্রাম্পের সরাসরি মন্তব্য আগের হোয়াইট হাউস অবস্থানের থেকে আলাদা। বুধবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারোলিন লেভেটিটকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যুক্তরাষ্ট্র এতে জড়িত কি না, তখন তিনি বলেন, ‘আমি যতদূর জানি, না।’ তিনি জানান, প্রতিরক্ষা দপ্তর বিষয়টি তদন্ত করছে—যা হেগসেথের বক্তব্যের সঙ্গেও মিল রয়েছে।
তবে কর্মকর্তাদের এই মন্তব্য এমন সময় এসেছে, যখন স্যাটেলাইট ছবি, বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর প্রকাশ করা তথ্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এই হামলাটি সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার ফল।
ইরান বলছেন, এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দায়ী। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, এই স্কুলে হামলার ঘটনা ‘আমাদের জাতির ইতিহাসের স্মৃতি থেকে কখনো মুছে যাবে না।’
সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল
এ জাতীয় আরো খবর..