সর্বশেষ :
কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে বাংলাদেশের পথে কার্গো জাহাজ ইরানে আজ কঠোর আঘাত হানা হবে : ট্রাম্প যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রা ম্পে র স মা লো চ না করলেন আমিরাতের ধনকুবের ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকে জী বি ত দের ফেরত না পাঠাতে শ্রীলঙ্কাকে চা প যুক্তরাষ্ট্রের! গাজীপুরে ঝুট দখল নিয়ে সংঘর্ষ, গু লি-ককটেল বিস্ফোরণ হা ম লা বন্ধের জন্য যে শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মধ্যপ্রাচ্যে সীমিতভাবে ফ্লাইট চালু দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী অবশেষে ভারত থেকে মুক্তি মিলছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ইংল্যান্ড-আফ্রিকার

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রা ম্পে র স মা লো চ না করলেন আমিরাতের ধনকুবের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-০৭, | ১৯:১২:৪৮ |
উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরান যুদ্ধে টেনে আনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী খলাফ আহমদ আল হাবতুর। সেই সঙ্গে ট্রাম্পের কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করেছে এবং যুদ্ধ শুরুর আগে কি উপসাগরীয় দেশগুলোর ঝুঁকি বিবেচনা করা হয়েছিল।

আল হাবতুর হলেন আল হাবতুর গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। প্রতিষ্ঠানটি হোটেল, অটোমোবাইল, গাড়ি লিজ, রিয়েল এস্টেট, শিক্ষা ও প্রকাশনা খাতে কাজ করে।
 
ট্রাম্পের উদ্দেশে লেখা এক খোলা চিঠিতে আল হাবতুর সরাসরি প্রশ্ন করেছেন, ‘আমাদের অঞ্চলকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে টেনে আনার ক্ষমতা আপনাকে কে দিয়েছে? এই সিদ্ধান্ত কী একা আপনার, নাকি নেতান্যাহু ও তার সরকারের চাপের ফলাফল?’
 
এই যুদ্ধের প্রভাব উপসাগরীয় দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি পড়বে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আপনি কি সম্ভাব্য নৈরাজ্য ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করেছেন? এই উত্তেজনায় প্রথম যারা ভুগবে, তারা হলো আমাদের অঞ্চলের দেশগুলো।’

তিনি অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প জিসিসি তথা উপসাগরীয় দেশগুলোকে এমন ঝুঁকির মধ্যে রেখেছেন যা তারা নিজেরা চায়নি। তার কথায়, ট্রাম্প উপসাগরীয় দেশগুলোকে সমূহ বিপদের কেন্দ্রে এনে ফেলেছে।’ 
 
তিনি আরও বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের শক্তি ও প্রতিরক্ষার ক্ষমতা রাখে, এবং তারা নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম। তার কথায়, ‘আপনি জিসিসি ও আরব দেশগুলোকে এমন ঝুঁকির মধ্যে রেখেছেন যা তারা কখনও চায়নি। আমরা সৌভাগ্যবশত বেশ শক্তিশালী এবং নিজেদের রক্ষা করার ক্ষমতা রাখি, আমাদের সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে যারা আমাদের দেশকে রক্ষা করবে।’
 
চিঠির শেষে আবারও প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, এরপরও প্রশ্ন থেকে যায়—কে আপনাকে অনুমতি দিয়েছে আমাদের অঞ্চলকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করার?’ তবে চিঠির কোনো প্রতিক্রিয়া ট্রাম্প বা হোয়াইট হাউস থেকে আসেনি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারও চিঠিটি অনুমোদন করেনি। 

ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যে প্রকাশ্য ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, চিঠিটি তারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানের রাজধানীতে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। জবাবে ইসরাইলের পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে ইরান। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..