✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ইউরোপীয় ২৭ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের কঠোর সিদ্ধান্ত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-০২, | ১১:৪৩:৪৩ |
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় ইইউর ২৭ সদস্য রাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ইরানও। খবর আল জাজিরার।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, ‘আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণার বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থাবিষয়ক আইনের ৭ নম্বর ধারার আওতায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

গালিবাফ বলেন, ‘ইউরোপীয়রা কার্যত নিজেরাই নিজেদের পায়ে গুলি করেছে। তারা আবারও আমেরিকার প্রতি অন্ধ আনুগত্য দেখিয়ে নিজেদের জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইইউর পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ইরানে চলতি মাসের শুরুর দিকে বিক্ষোভকারীদের ‘দমন-পীড়নের ঘটনার’ জেরে সংস্থাটি এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘যে কোনো শাসনব্যবস্থা যদি নিজের হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে, তবে সেটি পতনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।’

ইরানি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তারের কোনো সংখ্যা প্রকাশ না করলেও জানিয়েছে, বিক্ষোভ চলাকালে অন্তত ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২ হাজার ৪২৭ জনকে ‘নির্দোষ’ বিক্ষোভকারী বা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিক্ষোভের চূড়ান্ত পর্যায়ে গত ৮ জানুয়ারি রাতে দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় ইরান।

প্রসঙ্গত, আইআরজিসি ইরানের সামরিক বাহিনীর একটি শাখা, যা ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর প্রতিষ্ঠিত হয়। নিয়মিত সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি কাজ করা এই বাহিনী সরাসরি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কাছে জবাবদিহি করে। ইরানের প্রতিরক্ষা, বৈদেশিক অভিযান ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে আইআরজিসি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..