সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং হাইকমিশনাররা শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর শোকবই খোলা হলে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এতে স্বাক্ষর করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন শোক বইয়ে প্রথম স্বাক্ষর করেন। এ ছাড়াও পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, ভারত, পাকিস্তান ও সুইজারল্যান্ডের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শোক বইয়ে স্বাক্ষর করতে বিএনপির শরিক দলের প্রতিনিধিরাও একে একে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে আসছেন। এখন পর্যন্ত বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থকে দেখা গেছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, চীন, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, ইরান, জাপান, সৌদি আরব, পাকিস্তান, ভারত, থাইল্যান্ড, ফিলিস্তিনসহ ১৬টির বেশি দেশের প্রতিনিধি ম্যাডাম খালেদা জিয়ার শোক বইয়ে স্বাক্ষর করে গেছেন। এটি চলমান রয়েছে। অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরাও আসছেন।
তিনি জানান, শোক বইতে স্বাক্ষরের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে—মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ও বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
শায়রুল কবির খান জানান, গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক জানানোর জন্য চেয়ারপারসন অফিসে শোক বই খোলা হয়েছে। এই শোক বইতে স্বাক্ষরের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শুভানুধ্যায়ী, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ তাদের শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানাতে পারবেন।
এর আগে, মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বেগম খালেদা জিয়া। অন্তর্বর্তী সরকার খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। একই সঙ্গে ৩১ ডিসেম্বর সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এ জাতীয় আরো খবর..