সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

আইএমএফের ঋণ পেতে সরকার মরিয়া নয়: অর্থ উপদেষ্টা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০২-০৯, | ০৯:৪০:১৮ |

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বর্তমানে দেশের চলতি হিসাব ও আর্থিক হিসাবের ব্যালান্স ভালো। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চলমান ঋণ কর্মসূচির চতুর্থ কিস্তিসহ কোনো দাতা সংস্থার ঋণ পেতে সরকার একেবারে মরিয়া নয়।

রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইজারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বব্যাংকের দেওয়া শর্তের প্রায় সবগুলো পূরণ করেছে সরকার। নীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব আদায়ে আলাদা বিভাগ হবে, রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, করছাড়ও কমিয়ে আনা হচ্ছে। আগামী জুনের আগে আরও কিছু শর্ত বাস্তবায়ন হবে। আইএমএফের চলমান ঋণ কর্মসূচির চতুর্থ কিস্তি কি পিছিয়ে যাচ্ছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আগামী মার্চে তাদের বোর্ড মিটিং হবে।

এটা জুন পর্যন্ত পিছিয়ে যেতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে- এমন প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এখন পর্যন্ত উনারা (আইএমএফ) এ বিষয়ে কিছু জানায়নি। তবে সরকারের অবস্থান হচ্ছে- বর্তমানে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট এবং ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্ট ব্যালান্স ভালো। তাই আমরা একেবারে মরিয়া হয়ে উঠিনি। শুধু আইএমএফের চতুর্থ কিস্তিই নয়, যে কোনো ঋণের বিষয়েই একই কথা। আইএমএফের সঙ্গে মার্চের আগে সরকারের আলাপ হবে।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইজার বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া পরিসংখ্যানের স্বচ্ছতা, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোসহ অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে অন্যান্য সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে নীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব আদায়ে দুটি বিভাগকে আলাদা করার বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে বিষয়টি অনুমোদিত হয়েছে। এটি তারা বাস্তবায়ন করতে চান।

বাস্তবায়নে সুনিদির্ষ্ট কোনো দিনক্ষণ দেওয়া হয়েছে কি? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এ বিষয়ে অগ্রগতি দেখতে চায়। তবে আমরা এ-ও জানি যে, সরকারের একটি নিদির্ষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে যে কোনো করছাড় বা নতুন করে কর আরোপ আইনি প্রক্রিয়ায় বাজেটের মাধ্যমে হওয়া দরকার হয়। আরেক প্রশ্নের উত্তরে মার্টিন রাইজার বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতি অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তাবে বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..