সর্বশেষ :
হিরোশিমা-নাগাসাকি হামলার ৮১ বছর: বর্তমান বিশ্বে পারমাণবিক পরিস্থিতি কি? বৃষ্টিতে ভেসে গেল ম্যাচ, সরাসরি বিশ্বকাপের স্বপ্নও শেষ আয়ারল্যান্ডের সূচকের উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা সারাদিন ফুরফুরে থাকতে সকালটা শুরু করবেন যেভাবে আড়াই বছর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১১২ মরদেহ সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত করছে : রিজভী আইআরজিসির সংশ্লিষ্ট ইরাকি এয়ারলাইন্সের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ার খবর ‍উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনই মুসলিম বিশ্বের প্রধান ইস্যু, সমর্থন অটুট রাখবে ইরান

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে: খাদ্য উপদেষ্টা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৫-১৯, | ১২:৩৬:২৩ |

দেশে খাদ্যের কোনো ঘাটতি নেই। তবে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

সোমবার (১৯ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা পরিষদের নবম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণের নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিতে সম্ভাব্য সবকিছুই করা হবে।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের জন্য খাদ্য শৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত সবার প্রত্যক্ষ ও সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। অর্থাৎ খাদ্য শৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত যে কেউ যে কোনো সময়েই খাদ্যকে অনিরাপদ করতে পারেন। অনিরাপদ খাদ্য সবসময়ই শরীরের সুস্থতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

নিরাপদ খাবারের ব্যাপারে সচেতনতার বিকল্প নেই। আর এই সচেতনতা শুরু করতে হবে নিজ নিজ ঘর থেকে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে মাত্রই আমরা কার্যক্রম শুরু করেছি। কিন্তু আমাদের যেতে হবে অনেক দূর।

এদিকে সভায় উপদেষ্টা জানান, জাপান সরকারের অর্থায়নে দশ বছর মেয়াদী ২ হাজার ৪০৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার ফুড সেফটি টেস্টিং ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট এর আওতায় ঢাকায় একটি ফুড সেফটি রেফারেন্স ল্যাবরেটরি, চট্টগ্রাম ও খুলনায় দুটি খাদ্য পরীক্ষাগার, প্রশিক্ষণ ভবন নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের খাদ্য নিরাপত্তা পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়বে। দেশের অন্য বিভাগেরও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে অবকাঠামোগত সুবিধা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

সভায় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধিবিধান ও জাতীয় নিরাপদ খাদ্য সংক্রান্ত নির্দেশনাগুলো দ্রুত অংশীজনের মতামত নিয়ে চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

-বাসস

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..