✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

৭ মাসে ১৫০০ কেজি ফল বিক্রি করেছেন শহিদুল!

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২২-০৮-০৮, | ১২:০০:৩০ |

শহিদুল ইসলাম সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার কড্ডার (তেতুলিয়া) বাসিন্দা। তিনি ইতোমধ্যে ড্রাগনসহ অন্যান্য ফল চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন। চাষ শুরুর প্রথম বছরেই ভালো ফলন পেয়েছেন।

কয়েক বছর আগেও দেশের মানুষ জানতো ড্রাগন বিদেশি ফল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশে এর চাষ এতটা বেড়েছে যে, এখন এটি দেশি ফল বলেই মানুষের কাছে পরিচিত। সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর ২০২১ সালে তিনি কৃষিতে মনোনিবেশ করেন। তেতুলিয়া এলাকায় ৪ বিঘা জমি লিজ নিয়ে ১৫০০ ড্রাগন চারা রোপণ করেন । চারা লাগানোর পরের বছরই ২০২২ সালে উৎপাদনে আসে।

তিনি জানান, এবছর ১৫০০ কেজি ফল বিক্রি করেছেন। বাজার মূল্য ৪ লাখ টাকার উপরে। আগাসরেজমিনে তার বাগানে গিয়ে দেখা যায়, বাগানের গাছে গাছে ধরেছে নানা রঙের ড্রাগন ফুল ও ফল। ইতোমধ্যেই তিনি চারা উৎপাদন করেছেন। নতুন করে আরও ২৬০০ চারা রোপণ করেছেন। ফল ও চারা বিক্রি করে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। তার এই আবাদ করতে এ পর্যন্ত ২০ লাখ টাকা করচ হয়েছে বলে তিনি জানান। সিরাজগঞ্জসহ আশপাশের এলাকা থেকে ক্রেতারা এসে বাগান থেকেই ফল কিনে নিয়ে যান।

তিনি জানান, ফলের এত চাহিদা যে আরও কয়েকটি বাগান হলেও ফর বিক্রিতে সমস্যা হবে না।

এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বাবুল কুমার সূত্রধর বলেন, আমি নিজে তার বাগান পরিদর্শন করেছি। বাগানের পরিচর্যা এবং ফল বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়। বিদেশি ফল ড্রাগন চাষে খরচ কম। দেশেই নানা জাতের ড্রাগন চারা পাওয়ায় এ চাষাবাদে বেকার যুবকদের স্বাভলম্বী হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

এই কৃষি কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় কৃষি বিভাগ ড্রাগন চাষিদের সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করছে। দেশের বেকার যুবকদের এ চাষাবাদের উপর প্রশিক্ষণ ও সহায়তা করা গেলে তাদের ভাগ্য বদলের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

মী অক্টোবর মাসে পুরোপুরি উৎপাদনের আসবে। তার বাগানে ৬ প্রজাতির ড্রাগন ফল, ২৬ প্রজাতির দেশি-বিদেশি আম, ৩ প্রজাতির মালটা, ২ প্রজাতির কমলা, খেজুরসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছের চাষ করেছেন।

তার এই সাফল্যে দেখে জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ ড্রাগন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তেঁতুলিয়া এলাকার আব্দুর রহিম বলেন, আমি প্রায় প্রতিদিনই এই বাগানে আসি। প্রথমদিকে মনে হতো সরকারি চাকরি থেকে এসে যে বাগান করেছেন তাতে মনে হতো তিনি এত টাকা খরচ করে ক্ষতির মুখে পড়বেন। কিন্তু এখন দেখা যায়, তিনি সফল। তাই চিন্তা করছি আমি নিজেই ড্রাগন বাগান করবো।


শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..