✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

বাতিল হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের বিশেষ সুবিধা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১৬, | ১৩:৫৪:০৬ |

বাতিল হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের বিশেষ প্রণোদনা। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে আর এই সুবিধা থাকছে না। নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য চালু করা বিশেষ প্রণোদনা বাতিল করা হবে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে চালু হওয়া এই প্রণোদনা প্রথমে মূল বেতনের ৫ শতাংশ এবং পরে ১০ শতাংশ করা হয়েছিল। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হলেও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার কমানো হচ্ছে। বর্তমানে সব গ্রেডের চাকরিজীবী মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পেলেও নতুন কাঠামোয় গ্রেডভেদে এই হার নির্ধারণ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যৌথ বাহিনী নির্দেশাবলি-২০২৬ অনুমোদন করা হয়।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, নতুন কাঠামোর আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন। নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হলেও আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় মূল বেতন ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

নতুন কাঠামো অনুযায়ী, গ্রেড-২০ থেকে গ্রেড-৬ পর্যন্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের হার ৫ শতাংশ থাকছে। গ্রেড-৫-এ তা হবে ৪ শতাংশ, গ্রেড-৪ ও ৩-এ ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং গ্রেড-২-এ ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ফলে উচ্চ বেতনভোগী কর্মকর্তাদের মূল বেতন বেশি বাড়লেও প্রতিবছর বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হবে।

সশস্ত্র বাহিনীতেও একই নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ক্যাপ্টেন ও সমতুল্য এবং তার নিচের পদে ইনক্রিমেন্ট ৫ শতাংশ, মেজর পদে ৪ শতাংশ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও কর্নেলে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও সমপদে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হচ্ছে।

নতুন বেতন কাঠামোয় বিদ্যমান ২০টি গ্রেডই রাখা হয়েছে। গ্রেড-২০-এর প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা এবং গ্রেড-১-এর নির্ধারিত বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..