সর্বশেষ :
হজের নিবন্ধন সুষ্ঠুভাবে করতে সৌদির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে সরকার: ধর্মমন্ত্রী বিশ্বের নতুন মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাশ : ১৬৪ দেশের সমর্থন, বিপক্ষে শুধু যুক্তরাষ্ট্র দেশ-বিদেশ থেকে আসা নেপালের ত্রাণ তহবিল ছাড়াল ১১ বিলিয়ন রুপি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে আলোচনা চলমান : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সরকারি সফরে সৌদি আরব গেলেন নৌবাহিনী প্রধান অবরোধের মধ্যেই কিউবায় মার্কিন নাগরিকদের সতর্কতা বিশ্ববাজারে কেন তৈরি হচ্ছে বগুড়ার সবজির বিশেষ কদর? ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে কুয়াকাটা সৈকত, ঝুঁকিতে স্থাপনা বাংলাদেশ ৭-০ চাইনিজ তাইপে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস

দেখাবে আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন

বিশ্বের নতুন মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাশ : ১৬৪ দেশের সমর্থন, বিপক্ষে শুধু যুক্তরাষ্ট্র

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-০৫, | ১৪:৩৬:৫০ |

আফ্রিকা মহাদেশের প্রকৃত আয়তন আরও সঠিকভাবে তুলে ধরতে নতুন বিশ্ব মানচিত্র ব্যবহারের প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিয়েছে ১৬৪টি দেশ। বিপক্ষে ভোট দিয়েছে শুধু যুক্তরাষ্ট্র। ছয়টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।

টোগোর নেতৃত্বে এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের (এইউ) সমর্থনে উত্থাপিত ‘কারেক্ট দ্য ম্যাপ’ প্রস্তাবের লক্ষ্য হলো বহুল ব্যবহৃত মারকেটর প্রজেকশনের পরিবর্তে ২০১৮ সালে তৈরি ‘ইকুয়াল আর্থ’ প্রজেকশন ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া।

১৬শ শতাব্দীতে ফ্লেমিশ মানচিত্রকার জেরার্ডাস মারকেটর নাবিকদের সমুদ্রপথে দিকনির্দেশনার সুবিধার জন্য এই মানচিত্র তৈরি করেছিলেন। তবে এতে নিরক্ষরেখার কাছের অঞ্চলগুলো তুলনামূলক ছোট এবং মেরু অঞ্চলের দেশগুলো বড় দেখায়।

এর ফলে আফ্রিকা ও গ্রিনল্যান্ডকে প্রায় একই আকারের মনে হয়। বাস্তবে আফ্রিকার আয়তন প্রায় ৩০.৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, আর গ্রিনল্যান্ডের আয়তন প্রায় ২.২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার। অর্থাৎ আফ্রিকা গ্রিনল্যান্ডের প্রায় ১৪ গুণ বড়।

ফজগফদ্গজদজক

২০১৮ সালে একদল মানচিত্রবিদ ‘ইকুয়াল আর্থ’ প্রজেকশন তৈরি করেন। এতে মহাদেশগুলোর আপেক্ষিক আয়তন তুলনামূলকভাবে নির্ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আফ্রিকান ইউনিয়নের ৫৪ সদস্য দেশও এই নকশার প্রতি সমর্থন জানায়।

টোগোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ডুসি বলেন, ‘একটি ন্যায্য বিশ্ব শুরু হয় একটি ন্যায্য মানচিত্র দিয়ে।’ তার মতে, মানচিত্র শুধু ভৌগোলিক অবস্থান দেখায় না, বরং বিভিন্ন অঞ্চল ও জনগোষ্ঠী সম্পর্কে মানুষের ধারণাকেও প্রভাবিত করে।

তবে জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্ত বাধ্যতামূলক নয়। অর্থাৎ সদস্য দেশ বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন মানচিত্র ব্যবহার করতে বাধ্য করা যাবে না। তবু শিক্ষা, প্রযুক্তি ও প্রশাসনে এর ব্যাপক ব্যবহার হলে বিশ্ব মানচিত্র উপস্থাপনে পরিবর্তন আসতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘ প্রতিনিধি ইয়ারিনা ফেরেনসেভিচ প্রস্তাবটির সমালোচনা করে একে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কাজের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন।

তবে আফ্রিকার বিভিন্ন সংগঠন ও বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রচলিত মানচিত্রে আফ্রিকার আয়তন ছোট করে দেখানোর ফলে মহাদেশটির সম্পদ, জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সম্পর্কেও মানুষের ধারণায় প্রভাব পড়েছে।

সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..