✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

চট্টগ্রামে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে বিএমডব্লিউ গাড়ি জব্দ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৮, | ০১:১০:০৯ |

মিথ্যা ঘোষণা ও শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে চট্টগ্রামে একটি বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ প্রাইভেট কার আটক করেছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নগরীর রহমতগঞ্জ কেবি আবদুস সাত্তার সড়কের একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে গাড়িটি আটক করা হয়।

গাড়িটির আনুমানিক বাজার মূল্য আড়াই থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইআইডি চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ। কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানান, মোংলা বন্দর দিয়ে তিন থেকে চারটি অংশে কেটে মূলত সম্পূর্ণ গাড়ি আমদানির অভিনব একটি কৌশল উদঘাটন করেছে সিআইআইডি।

এই কৌশল উদঘাটনের সূত্র ধরে চট্টগ্রাম নগরীর রহমতগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি আটক করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে গাড়িটির বর্তমান মালিক মোহাম্মদ আইয়ুব দেশের বাইরে আছেন বলে দাবি করেন  তার স্ত্রী  সুলতানা ফারহানা। গাড়িটির ক্রয় বা আমদানি সংক্রান্ত কোন তথ্য ও দলিল চাওয়া হলে তা কাস্টমস গোয়েন্দা টিমের নিকট উপস্থাপন করতে পারেননি ফারহানা। পরবর্তীতে র‍্যাব এবং কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা একাধিকবার গাড়ির চাবি চাইলেও তিনি চাবি দিতে রাজি হননি।

আমদানি সংক্রান্ত দলিলাদি অথবা গাড়িটি কেনার কোন ডকুমেন্ট না থাকায় এবং এ সংক্রান্ত কোন তথ্য প্রদানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তথ্য না দেওয়ায় গাড়িটি আটক করা হয়।

সিআইআইডি কর্মকর্তা রেজভী আহম্মেদ জানান, তাদের সন্দেহ মোংলা বন্দরের চালানটির মতোই এই গাড়িটিও শুল্ক ফাঁকির উদ্দেশ্যে যন্ত্রাংশ ঘোষণায় কেটে কয়েকটি টুকরো করে আমদানি করা হয়েছে। পরে দেশিয় কোনো গ্যারেজে সংযোজন করে সম্পূর্ণ গাড়িতে রূপান্তরিত করা হয়। অন্য কোনো উপায়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা হয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..