খরা ও মরুভূমি নিয়ন্ত্রণে চীনের সহায়তা নিচ্ছে আরব বিশ্ব

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৪, | ১৩:৫৮:৫১ |

খরা ও মরুকরণ ঠেকাতে চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তা নিচ্ছে আরব দেশগুলো। এ লক্ষ্যে ৫ বছর মেয়াদি একটি যৌথ পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার মঙ্গোলিয়ার উলান বাটরে চলমান জাতিসংঘের মরুকরণ প্রতিরোধ কনভেনশনে (COP17) এই পরিকল্পনা চালু করা হয়।

এর আওতায় চীনের অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি করা প্রযুক্তি এখন আরব দেশগুলোতে কাজে লাগানো হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রিমোট সেন্সিং ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। এতে করে ধূলিঝড়ের পূর্বাভাস ও ভূমিক্ষয় রোধও করাও সহজ হবে।

চীনের ন্যাশনাল ফরেস্ট্রি অ্যান্ড গ্রাসল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনএফজিএ) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। চায়না ফরেস্ট্রি একাডেমি ও আরব লীগের সচিবালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

নতুন এই পরিকল্পনার আওতায় সনাতন পদ্ধতির বাইরে গিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির ওপর জোর দেওয়া হবে। ভূমিক্ষয় ও অবক্ষয় মূল্যায়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন প্রযুক্তি এবং স্যাটেলাইটের সহায়তা নেওয়া হবে। এছাড়া ভয়াবহ বালু ও ধূলিঝড় পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত পূর্বসংকেত দেওয়ার মতো উন্নত পূর্বাভাস ব্যবস্থা তৈরি করতে দুই পক্ষ একযোগে কাজ করবে।

এই পরিকল্পনার অধীনে মরুকরণ নিয়ন্ত্রণে একটি বিশ্বস্ত বিশেষজ্ঞ পুল গঠন করা হবে। সেখানে তরুণ পরিবেশ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের নিয়মিত কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারি সংস্থার বাইরেও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় সম্প্রদায়কে এই জলবায়ু যুদ্ধে সম্পৃক্ত করা হবে।

চীন তার নিজস্ব ‘কুবুকি মরুভূমি’ সবুজায়নে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছে। এনএফজিএ জানিয়েছে, সেই অভিজ্ঞতার আলোকে মরুকরণ রোধে উপযোগী ৩০টি পরীক্ষিত প্রযুক্তির তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ওই প্রযুক্তিগুলো আরব দেশগুলোতে প্রয়োগ করা হবে।

এদিকে, চায়নিজ একাডেমি অব ফরেস্ট্রির সহ-সভাপতি কুই লিজুয়ান জানান, মিসর ও চীন যৌথভাবে নীল নদ ও হোয়াংহো (হলুদ) নদী নিয়ে তুলনামূলক পরিবেশগত সমীক্ষার সম্ভাবনা যাচাই করছে। সমন্বিত ব্যবস্থাপনার এই উদ্যোগটি ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এনজিওর কাছে সমাদৃত হয়েছে।


সূত্র: গ্লেবাল টাইমস

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..