নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৬, | ১৪:৪২:১৬ |

ভাঙ্গায় কুমার নদে নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পরে ঘটনাস্থল থেকে ৭ কিলোমিটার দূর থেকে মিঠু খলিফা (৬০) নামক এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

মিঠু খলিফা ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের বিবিরকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। 

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কুমার নদ ভাঙ্গার ঘারুয়া ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত। এ নদ ঘারুয়া ইউনিয়নের শরীফাবাদ বাজার পার হওয়ার পর নদের পূর্বপাশে ভাঙ্গার ঘারুয়া ইউনিয়নের বিবিরকান্দা গ্রাম ও পশ্চিম পাশে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ফতেপট্টী গ্রাম।  

শনিবার বিবিরকান্দা গ্রামের বিপরীত পাশে কুমার নদের ফতেপট্টী অংশে পাটের আঁশ ধোয়ার কাজ করেন কৃষক মিঠু খলিফা। দুপুর ১২টার দিকে মিঠু খলিফা কুমার নদের ফতেপট্টী অংশ থেকে পাট ধোয়ার কাজ শেষ করে সাঁতার দিয়ে পূর্বপাশে বিবিরকান্দা গ্রামের পাড়ে আসতে যায়। নদের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ পার হওয়ার পর তিনি পানিতে তলিয়ে যায়। 

এরপর এলাকাবাসী, ফায়ার সার্ভিস ও ফরিদপুর থেকে নৌ পুলিশের ডুবুরিদল শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চেষ্টা করেও তাকে খোঁজে পায়নি। এরপর রবিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের মনিরকান্দায় কুমার নদে একটা মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। এরপর পার্শ্ববর্তী সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে জানালে তারা মরদেহটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে মিঠু খলিফার স্বজনরা মরদেহ সনাক্ত করেন। 

শরীফাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেমায়েত হোসেন বলেন, শনিবার নদীতে নিজের পাট ধোয়ার কাজ শেষ করে সাঁতরে নদী পার হতে যায় মিঠু খলিফা। একপর্যায়ে তিনি তলিয়ে যান। রবিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে তার মরদেহ পাওয়া যায় পাশের মুকসুদপুর উপজেলার কুমার নদে। 

ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আবু জাফর বলেন, শনিবার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। এরপর ফরিদপুর থেকে ডুবুরি দল এসে কুমার নদে উদ্ধার অভিযান চালায়। কিন্তু শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মরদেহ উদ্ধার করা যায়নি। রবিবার সকালে পাশের মুকসুদপুর উপজেলার কুমার নদে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..