✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২৫, | ২০:২৪:৩৮ |ছয় সপ্তাহ ধরে টানা ফুটবল উন্মাদনার পর শেষ হয়েছে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ। ৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে ১০৪টি ম্যাচ ও ৩০৮ গোলের এই আসর শেষ হওয়ায় অনেক ফুটবলপ্রেমীর মনেই এখন শূন্যতা। তবে সেই অপেক্ষা বেশিদিন নয়। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শুরু হচ্ছে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব ফুটবলের নতুন মৌসুম। পাশাপাশি মাঠে ফিরবে বিভিন্ন জাতীয় দলও।
বিশ্বকাপের ঠিক এক সপ্তাহ পরই শুরু হবে আফ্রিকার নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ। উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক মরক্কোর প্রতিপক্ষ কেনিয়া। শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে নাইজেরিয়া। এ ছাড়া ঘানা, জাম্বিয়া ও মালাউইকেও সম্ভাব্য দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আগামী ১২ আগস্ট অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গে মৌসুমের প্রথম বড় ইউরোপীয় ক্লাব লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের প্যারিস সেন্ট জার্মেই ও ইংল্যান্ডের অ্যাস্টন ভিলা। ইউরোপের দুই শীর্ষ প্রতিযোগিতার বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের এই ম্যাচ ঘিরেও রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।
স্পেন, ইংল্যান্ড, ইতালিসহ ইউরোপের বড় বড় লিগও শুরু হচ্ছে আগস্ট মাস থেকেই। ১৫ আগস্ট নতুন মৌসুম শুরু হবে স্পেনের শীর্ষ লিগে। ২১ আগস্ট পর্দা উঠবে ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগের। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল নিজেদের প্রথম ম্যাচে খেলবে কোভেন্ট্রি সিটির বিপক্ষে। একই সপ্তাহে মাঠে নামবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি, লিভারপুল ও চেলসিও।
স্পেনের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা ২৩ আগস্ট এলচের বিপক্ষে নতুন মৌসুম শুরু করবে। অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদ নতুন কোচ হোসে মরিনহোর অধীনে ২২ আগস্ট এস্পানিওলের মাঠে প্রথম ম্যাচ খেলবে। বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, পেদ্রি ও গাভির পাশাপাশি রিয়ালের কিলিয়ান এমবাপ্পে, জুড বেলিংহাম ও থিবো কোর্তোয়ার পারফরম্যান্স দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন সমর্থকেরা।
২২ আগস্ট শুরু হবে ইতালির শীর্ষ লিগও। উদ্বোধনী সপ্তাহেই ইন্টার মিলান, নাপোলি, জুভেন্টাস, এসি মিলান ও রোমার মতো বড় দলগুলো মাঠে নামবে।
এরপর সেপ্টেম্বরে শুরু হবে ইউরোপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্লাব প্রতিযোগিতা, যেখানে মহাদেশের সেরা ৩৬টি দল শিরোপার জন্য লড়বে। একই মাসে আবার শুরু হবে ইউরোপের জাতীয় দলগুলোর প্রতিযোগিতাও। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন, পর্তুগাল, ইংল্যান্ডসহ শীর্ষ দলগুলো আবারও মাঠে ফিরবে।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের পর ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষা খুব বেশি দিনের নয়। আগস্ট থেকেই ইউরোপের ক্লাব ফুটবল এবং সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচি শুরু হওয়ায় সারা বছরই ফুটবল উন্মাদনা ধরে রাখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা।