✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২৩, | ১১:৫১:২৬ |দীর্ঘ দুই দশক ধরে দক্ষিণী চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বলিউডে সমান তালে কাজ করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দুই ইন্ডাস্ট্রির কর্মপদ্ধতির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করতে গিয়ে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের পেশাদারত্ব ও সময়ের স্পষ্ট অনুশাসনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ‘সিংঘম’ খ্যাত এই অভিনেত্রী। একইসঙ্গে বলিপাড়ায় কাজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে গিয়ে তিনি জানান, শুটিং সেটে মেগাস্টার সালমান খানের জন্য তাকে কীভাবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল।
শুভঙ্কর মিশ্রর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে কাজল জানান, বলিউড ও দক্ষিণী সিনেমার কাজের পরিবেশের মধ্যে বড় পার্থক্য হলো সময়ানুবর্তিতা। তিনি বলেন, হিন্দি সিনেমায় কাজ সব সময় নির্দিষ্ট সূচি অনুযায়ী হয় না। কিন্তু দক্ষিণে সময়ের হিসাব কড়ায়-গন্ডায় মানা হয়। ভোর ৬টায় কলটাইম থাকলে ঠিক ৬টাতেই কাজ শুরু হয় এবং দুপুর ১টায় সবাই নিয়ম মেনে দুপুরের খাবারের বিরতি পান। দীর্ঘদিন কাজ করতে করতে এই সুনির্দিষ্ট ও শৃঙ্খলিত জীবনযাত্রার সঙ্গেই নিজেকে অভ্যস্ত করে নিয়েছেন তিনি।
বলিউডের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে কাজল হালকা চালে স্মরণ করেন সালমান খানের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার মুহূর্তগুলো। সেটের সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ভাইজানের জন্য অপেক্ষা করতে করতে তিনি অলস বসে না থেকে সেটের জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করতেন। হাসতে হাসতে কাজল বলেন, কাজের সুনির্দিষ্ট সময় না থাকায় অন্তত কিছুটা ওজন তো কমাতে পেরেছিলেন, তাই অপেক্ষাটা শেষ পর্যন্ত তার জন্য মন্দ হয়নি। তবে ব্যক্তিগতভাবে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির এই নিখুঁত শৃঙ্খলা ও সময়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনই তার বেশি পছন্দের।
হিন্দি ছবিতে কাজ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নিজের বেছে নেওয়া সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তি তুলে ধরে কাজল বলেন, কাজের পরিমাণের চেয়ে গুণগত মানকেই তিনি সব সময় অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সেই সময় দক্ষিণে যেভাবে মূল ও প্রভাবশালী চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাচ্ছিলেন, বলিউডে সেই মানের চরিত্র মিলছিল না। কেবল নামমাত্র ভূমিকা বা পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য নিজের সেরা সময় নষ্ট করতে চাননি তিনি।
আগামী দিনে কাজল আগরওয়ালকে ‘দ্য ইন্ডিয়া স্টোরি’ ছাড়াও নীতিশ তিওয়ারির বহুল প্রতীক্ষিত ‘রামায়ণ’ ছবিতে রাবণের স্ত্রী ‘মন্দোদরী’র চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে।
সূত্র: এনডিটিভি