মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন অভিনেত্রী রেবেল উইলসন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২২, | ১৪:৩৬:০০ |

অস্ট্রেলিয়ার অভিনেত্রী রেবেল উইলসনের বিরুদ্ধে করা মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছেন সিডনির একটি আদালত। একই সঙ্গে মামলাটি দায়েরকারী অভিনেত্রী শার্লট ম্যাকইনেসকে উইলসনের আইনি খরচ বহনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দেওয়া রায়ে বিচারক এলিজাবেথ রেপার বলেন, মামলায় মানহানির অভিযোগ প্রতিষ্ঠার মতো আইনি ভিত্তি পাওয়া যায়নি। তাই মামলাটি খারিজ করা হয়েছে।

মামলাটি করেন অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী শার্লট ম্যাকইনেস, যিনি রেবেল উইলসনের চলচ্চিত্র 'দ্য ডেব'-এ অভিনয় করেছিলেন। তার অভিযোগ ছিল, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ইনস্টাগ্রামে দেওয়া কয়েকটি পোস্টে উইলসন এমন মন্তব্য করেন, যা তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে।

ওই পোস্টগুলোতে উইলসন দাবি করেছিলেন, চলচ্চিত্রটির প্রযোজক আমান্ডা ঘোস্টের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির যে অভিযোগ ম্যাকইনেস তুলেছিলেন, পরে তিনি নিজের ক্যারিয়ারের স্বার্থে তা থেকে সরে আসেন। তবে ম্যাকইনেস এ অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতের দ্বারস্থ হন। রায়ে বিচারক বলেন, ম্যাকইনেস নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেছেন- এমন ইঙ্গিতকে আইনগতভাবে মানহানিকর বক্তব্য হিসেবে গণ্য করা যায় না। ফলে এ ঘটনায় মানহানির আইনি শর্ত পূরণ হয়নি।

মামলাটি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সে সময় বন্ডাই সমুদ্রসৈকতে সাঁতার কাটার পর প্রযোজক আমান্ডা ঘোস্টের ভাড়া করা অ্যাপার্টমেন্টে ঘটে যাওয়া একটি বাথটাব-সংক্রান্ত ঘটনাকে ঘিরে পরবর্তীতে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। আদালতে সেই ঘটনার বিভিন্ন দিক নিয়েও শুনানি হয়।

রায়ের পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে রেবেল উইলসন বলেন, পুরো আইনি প্রক্রিয়া তার জন্য কঠিন হলেও এটি তাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। তিনি লেখেন, “এই অভিজ্ঞতা আমাকে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি করেছে। তবে এটি আমার বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে যে, আমি সবসময় যা সঠিক মনে করি তার পক্ষেই দাঁড়াব এবং মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কাজ করে যাব।”

সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে উইলসন বলেন, এই অধ্যায়ের সমাপ্তিতে তিনি স্বস্তি বোধ করছেন। একই সঙ্গে বিচারক এলিজাবেথ রেপার এবং অস্ট্রেলিয়ার বিচারব্যবস্থার প্রতিও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।

চলতি বছরের শুরুতে টানা তিন সপ্তাহ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে উইলসন দাবি করেন, বাথটাব-সংক্রান্ত ঘটনার পরদিন শার্লট ম্যাকইনেস তার সঙ্গে কথা বলেছিলেন এবং ঘটনাটি নিয়ে নিজের অস্বস্তির কথা জানিয়েছিলেন। পরে বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রযোজক আমান্ডা ঘোস্টকেও বার্তা পাঠান, যা আদালতে উপস্থাপন করা হয়। তবে রায় ঘোষণার পর এখন পর্যন্ত শার্লট ম্যাকইনেসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..