✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৭, | ১৪:৪৫:১৮ |এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম চমক ও আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনিয়া। টুর্নামেন্টে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর চিলির ক্লাব কোলো কোলোর কাছ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি। তবে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে স্পটলাইটে আসা এই গোলকিপার একটি আপসহীন শর্তও জুড়ে দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম সিবিএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই গোলকিপার স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমি এমন একটি দল পাওয়ার আশা করি, যারা মাঠে ফুটবলার হিসেবে আমার অবদানের কথা বিবেচনা করে দলে নেবে, কোনো মার্কেটিংয়ের পুতুল বা বিজ্ঞাপনী চমক হিসেবে নয়।’
কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলকিপারের ওপর চিলির বিখ্যাত ক্লাব কোলো কোলো কড়া নজর রাখছে। তাকে দলে ভেড়াতে একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবও পাঠিয়েছে। নিজের ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়ে ৪০ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, ‘এই ৪০ বছর বয়সেও এখানে এসে ফুটবলের প্রতি এমন আবেগ অনুভব করা দারুণ ব্যাপার। আমি আরও অন্তত এক বা দুই বছর খেলতে চাই। অবশ্য এটি পুরোপুরি নির্ভর করবে আমার শরীর কেমন সাড়া দেয় তার ওপর, কারণ আগামীকাল কী ঘটবে তা কেউ জানে না। তবে আমি খেলা চালিয়ে যেতে চাই।’
বিশ্বকাপে চমকপ্রদ পারফরম্যান্সের পর লিওনেল মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে গুঞ্জন উঠেছিল। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে তিনি শেষ বত্রিশের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলেন। তবে সেই গুঞ্জন এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনায় রূপ নেয়নি। পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব জিডি চাভেসের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি বর্তমানে একজন ‘ফ্রি এজেন্ট’ হিসেবে আছেন।
কেপ ভার্দের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের মেলে ধরার কঠিন লড়াই প্রসঙ্গে ভোজিনিয়া বলেন, ‘আমার মনে হয় জন্ম নেওয়ার পর ছোটবেলা থেকেই আমি সবসময় একজন পেশাদার খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। আমাদের দেশে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার সুযোগ খুবই সীমিত। সবার আগে আপনাকে একটি ভিসার জন্য লড়াই করতে হবে; সেটাই প্রথম ও প্রধান বাধা।’
উল্লেখ্য, ‘ভোজিনিয়া’ আসলে তার ডাকনাম। তার আসল নাম জোসিমার জোসে এভোরা দিয়াস। ছোটবেলায় দাদা-দাদির সঙ্গে বেশি সময় কাটানোর কারণে এই নামটি তার সাথে যুক্ত হয়। পর্তুগিজ ভাষায় এর অর্থ ‘ছোট দাদি’। তিনি কেপ ভার্দের সাও ভিসেন্তে শহর থেকে উঠে আসেন এবং পুরো ক্যারিয়ারে এই নামটিই জার্সিতে ব্যবহার করেছেন।