✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

রবিন হুডকে আশ্রয় দেওয়া ঐতিহাসিক মেজর ওক গাছের জীবনাবসান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১৯, | ১১:৪৫:৩১ |
ইংল্যান্ডের শেরউড ফরেস্টে অবস্থিত কিংবদন্তি ‘মেজর ওক’ গাছটি অবশেষে মারা গেছে বলে জানিয়েছে রয়্যাল সোসাইটি ফর দ্য প্রোটেকশন অব বার্ডস (আরএসপিবি)। প্রায় ১২০০ বছর পুরনো এই ওক গাছটি রবিন হুডের আশ্রয়স্থল হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত ছিল।

আরএসপিবি জানায়, চলতি বসন্তে গাছটিতে কোনো নতুন পাতা গজায়নি, যা এর মৃত্যুর ইঙ্গিত বহন করছে। দীর্ঘদিন ধরে গাছটিকে ঘিরে মৃত্যুর গুজব ছড়ালেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংগঠনটির কর্মকর্তা হলি ড্রেক বলেন, এ বছর গাছে নতুন পাতা না দেখা যাওয়ায় তারা গভীরভাবে মর্মাহত। বিশেষজ্ঞদের মতে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে লাখো দর্শনার্থীর পদচারণায় গাছটির চারপাশের মাটি অত্যন্ত শক্ত হয়ে যায়। ফলে বৃষ্টির পানি ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি শিকড়ে পৌঁছাতে পারেনি।

এছাড়া সাম্প্রতিক বছরগুলোর তীব্র খরা, অতিরিক্ত তাপমাত্রা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও গাছটির মৃত্যুর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, মেজর ওকের শিকড় ধীরে ধীরে কার্যত শ্বাসরুদ্ধ ও পুষ্টিহীন অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল।

কিংবদন্তি অনুসারে, ত্রয়োদশ শতাব্দীর বিখ্যাত দস্যু রবিন হুড নটিংহ্যামের শেরিফের তাড়া এড়িয়ে শেরউড ফরেস্টে আশ্রয় নিতেন এবং মেজর ওক ছিল তার অন্যতম গোপন আস্তানা। ১৭৯০ সালে মেজর হেইম্যান রুকের একটি বইয়ে গাছটির উল্লেখের পর থেকেই এটি ‘মেজর ওক’ নামে পরিচিতি পায় এবং পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

প্রকৃতি সংরক্ষণবাদীরা বলছেন, মেজর ওকের মৃত্যু শুধু একটি গাছের অবসান নয়, বরং শতাব্দীপ্রাচীন প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও একটি বড় ক্ষতি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..