দেশে নিবন্ধিত সিম ৩২ কোটি ৮২ লাখ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১০, | ১৩:২৬:৫৮ |

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, বর্তমানে ৪টি মোবাইল কোম্পানির বৈধ নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ। মঙ্গলবার (০৯ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ-সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়। 

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশে মোবাইল কোম্পানির সংখ্যা চারটি। এগুলো হলো- টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড। এসব কোম্পানির বৈধ রেজিস্ট্রার্ড সিমের সংখ্যাই ৩২ কোটি ৮২ লাখ।

আর রংপুর-৩ আসনের সংসদ-সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ডাক বিভাগের সেবা বাড়ানোর লক্ষ্যে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস বা পোস্ট পিকাপ পয়েন্ট স্থাপনের বিষয়ে পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ই-কমার্স ও এফ-কমার্স খাতকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৪টি ফুল ফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রসেসিং, বুকিং, সর্টিং, পরিবহণ ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’ 

নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ-সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫৫টি স্টার্টআপ বিনিয়োগের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। তবে যাচাই-বাছাই ও বিনিয়োগের শর্ত নিয়ে মতানৈক্যের কারণে ১৯টি স্টার্টআপের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল হয়েছে। চূড়ান্তভাবে ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।’

মন্ত্রী জানান, চূড়ান্ত অনুমোদনপ্রাপ্ত ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিনিয়োগ পাওয়া উলে­খযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- চালডাল লিমিটেড, টেন মিনিট স্কুল লিমিটেড, সেবা প্ল্যাটফর্ম লিমিটেড এবং ট্যুর বুকিং বাংলাদেশ লিমিটেড। 

নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ-সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর প্রশ্নের জবাবে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারা দেশে ফোরজি প্রযুক্তির প্রবর্তন করা হয়েছে। বাংলাদেশে ফাইভজি প্রযুক্তির বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে ঢাকা শহরের বিমানবন্দর, রেলস্টেশন এবং গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকাসহ প্রায় ৪০টি পয়েন্টে এবং ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা ও সিলেটসহ বিভাগীয় পর্যায়ে দেশের প্রায় ৪০০টির বেশি স্থানে সীমিত পরিসরে ফাইভজি সেবা চালু রয়েছে। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..