সর্বশেষ :
খালেদা জিয়ার নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সভাপতি নির্বাচিত হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বিশ্বকাপের ১০ দিন আগে মেক্সিকোতে শিক্ষকদের বিক্ষোভে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ বিশ্বকাপ যাত্রার আগে যে ভিডিওবার্তা পেয়ে কেঁদে ফেললেন ব্রাজিল কোচ তাইওয়ানে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২ পাইলট বিশ্বকাপের আগে বার্সা ছাড়ছেন স্প্যানিশ তারকা যুদ্ধে ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ, স্যাটেলাইট চিত্রে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যেতে পারেন ফরাসি তারকা সালিবা সৌদির মরুভূমিতে নতুন আশা, শতবছর পর জন্ম নিল বিলুপ্তপ্রায় বুনো গাধা

জুন-আগস্টে এল নিনোর আশঙ্কা, কমতে পারে মৌসুমি বৃষ্টিপাত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০২, | ১৮:৪১:৫৯ |

চলতি মাস থেকে আগস্টের মধ্যে তাপমাত্রা বাড়ানো জলবায়ুগত ঘটনা ‘এল নিনো’ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ৮০ শতাংশ। এর ফলে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)।

মঙ্গলবার প্রকাশিত পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানায়, উষ্ণমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক ধারা বদলে দিতে পারে।

জুন থেকে আগস্ট সময়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকতে পারে। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। আঞ্চলিক জলবায়ু কেন্দ্রগুলোর তথ্য বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় গড়ের তুলনায় কম মৌসুমি বৃষ্টিপাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু প্রক্রিয়া। এ সময় মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে বড় পরিবর্তন দেখা দেয়। সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর এটি দেখা দেয় এবং ৯ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ডব্লিউএমওর ত্রৈমাসিক তথ্য অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের মধ্যে এল নিনো পুরোপুরি গড়ে ওঠার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ বা তারও বেশি। অধিকাংশ পূর্বাভাস বলছে, এবারের এল নিনো মাঝারি থেকে শক্তিশালী হতে পারে।

ডব্লিউএমওর প্রধান চেলেন্তে সাউলো বলেন, বিশ্বের এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। কারণ এল নিনোর প্রভাবে খরা ও ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, এল নিনো দোরগোড়ায় চলে এসেছে। বিশ্বের উচিত এটিকে একটি জরুরি জলবায়ু সতর্কতা হিসেবে বিবেচনা করা। এল নিনো পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকা পৃথিবীতে ‘আগুনে ঘি ঢালার’ মতো কাজ করবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..