✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

দুবাইয়ে গাড়ির ধাক্কায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৬, | ১৫:৪৭:৪২ |

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে মো. নুরে আলম (৩২) নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। গাড়ির ধাক্কায় আহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার মৃত্যু হয়েছে এই প্রবাসীর। 

তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের হাজী আয়েত আলীর ছেলে। তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে ডিউটি শেষে কোম্পানির মাইক্রোবাস যোগে বাসায় ফিরছিলেন নুরে আলমসহ ১২ জন প্রবাসী শ্রমিক। পথে একটি তেলবাহী গাড়ি এসে তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। নুরে আলমসহ সবাই গুরুতর আহত হন।

আহতদের স্থানীয় রাসেল কিনার আল কাসিমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় না ফেরার দেশে চলে যান নুরে আলম। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

নিহতের বড় ভাই ও পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম মাস্টার জানান, সংসারের অভাব ঘোচাতে প্রায় ছয় বছর আগে দুবাই যান নুরে আলম। মাত্র ছয় মাস আগে ছুটিতে দেশে এসে স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনদের সঙ্গে কিছুদিন সময় কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরে যান তিনি। কে জানতো, সেটাই হবে পরিবারের সঙ্গে তার শেষ দেখা।

নুরে আলম রেখে গেছেন স্ত্রী ও মাত্র ১৭ মাস বয়সী এক শিশুপুত্রকে। বাবাকে হারানোর অর্থ কী, সেই ছোট্ট শিশুটি এখনো বুঝে উঠতে পারেনি। কিন্তু পরিবারের কান্না আর স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো বাড়ির পরিবেশ।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে শেষবারের মতো মুখ দেখার আকুতি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..