তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি। তবে অনেক সময় পানিশূন্যতার লক্ষণ শুধু তৃষ্ণার মাধ্যমে প্রকাশ পায় না। নিয়মিত পানি পান করলেও অনেকের শরীরে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঘাম ও শরীর থেকে খনিজ উপাদান বেরিয়ে যাওয়ার কারণে শরীরের তরল ভারসাম্য নষ্ট হয়। শরীর যতটা পানি গ্রহণ করে তার চেয়ে বেশি হারালে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। এতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের ঘাটতিও দেখা দিতে পারে। তাই শুধু পানি পান করলেই সবসময় শরীর পুরোপুরি হাইড্রেটেড থাকে না।
পানিশূন্যতার কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ হলো—
অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা
পর্যাপ্ত ঘুম বা বিশ্রামের পরেও যদি ক্লান্তি না কাটে, তবে সেটি পানির ঘাটতির ইঙ্গিত হতে পারে। শরীরে পর্যাপ্ত তরল না থাকলে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয় এবং কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছানো কমে যায়। ফলে শরীর দুর্বল লাগে।
ঘন ঘন মাথাব্যথা
বিশেষ করে গরমে বারবার মাথাব্যথা হলে সেটি ডিহাইড্রেশনের কারণে হতে পারে। শরীরে পানির স্বল্পতা রক্তপ্রবাহ ও চাপের পরিবর্তন ঘটায়, যা মাথাব্যথা বাড়াতে পারে।
গাঢ় রঙের প্রস্রাব
প্রস্রাবের রঙ যদি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি গাঢ় হয় বা প্রস্রাব কম হয়, তাহলে বুঝতে হবে শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে। এটি ডিহাইড্রেশনের অন্যতম সহজ ও সাধারণ লক্ষণ।
মনোযোগ কমে যাওয়া
পানিশূন্যতা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতার ওপরও প্রভাব ফেলে। ফলে কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা হতে পারে বা মানসিকভাবে ঝিমঝিম ভাব দেখা দিতে পারে।
পানি পান করেও তৃষ্ণা না মেটা
অনেক সময় পর্যাপ্ত পানি পান করার পরেও শরীর দুর্বল লাগে বা তৃষ্ণা থেকেই যায়। এর পেছনে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা দায়ী হতে পারে। ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে সোডিয়ামসহ বিভিন্ন খনিজ বেরিয়ে যাওয়ায় শুধু পানি নয়, খনিজসমৃদ্ধ তরলও প্রয়োজন হতে পারে।
এ জাতীয় আরো খবর..