✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৪, | ১৭:৫৪:০০ |দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আর মাত্র এক দিন পরেই কোরবানির ঈদ। মুসলমানদের অন্যতম প্রধান এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির কামারপল্লীগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। পশু জবাই ও মাংস কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরিতে এখন দিন-রাত কাজ করছেন কামার শিল্পের কারিগররা।
উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দগদগে আগুনে লোহা পুড়িয়ে ও হাতুড়ির আঘাতে তৈরি করা হচ্ছে ছুরি, দা, চাপাতি, কাচি, হাসুয়া ও কোপার মতো ধারালো সামগ্রী। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে এসব সরঞ্জামের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় জমে উঠেছে কেনাবেচাও।
তবে প্রযুক্তির ছোঁয়া এখনো খুব একটা লাগেনি এ শিল্পে। পুরোনো পদ্ধতিতেই চলছে লোহা পুড়িয়ে সরঞ্জাম তৈরির কাজ। কামাররা জানান, সারাবছর তেমন বেচাকেনা না থাকলেও কোরবানির ঈদের আগের সময়টাতেই তাদের মূল ব্যবসা হয়।
ফটিকছড়ির নানুপুর বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী ভবতোষ বলেন, সারাবছর কোনোরকমে দিন চলে। কোরবানির ঈদের আগে এক সপ্তাহই ভালো বেচাকেনা হয়। এই সময়টার জন্যই আমরা অপেক্ষা করি।
ফটিকছড়ির বিভিন্ন বাজারে প্রতি পিস দেশি চাপাতি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়। বিদেশি চাপাতির দাম পড়ছে ৭০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। লোহার তৈরি ছোট ছুরি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ৪০০ টাকায়। জবাইয়ের ছুরি মিলছে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। এছাড়া দা-বঁটির দাম রাখা হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৭০০ টাকা।
কামাররা জানান, কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের তুলনায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে। তারপরও ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।