সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ

সালাম মুর্শেদীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি শেষ, আদেশ ৬ জুলাই

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২০, | ১৩:৪৯:৫৯ |

রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি শেষে আদেশের জন্য আগামী ৬ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। 

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালতে মামলাটির চার্জগঠন বিষয়ে শুনানি জন্য দিন ধার্য ছিল। এ জন্য কারাগারে থাকা সালাম মুর্শেদীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন সব আসামিদের অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদনের শুনানি শেষে চার্জ গঠন বিষয়ের আদেশের জন্য ধার্য করেন আদালত।

আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার, বোরহান উদ্দীন, শাহীনুর ইসলাম, খাদেমুল ইসলাম আবেদন করেন। 

মামলার অন্যান্য আসামি হলেন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সাবেক উপ-পরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছার।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি) ২৭ নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত ২৭ কাঠা সম্পত্তির তালিকাভুক্ত থাকা সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করেন।

পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..