এশিয়ার কফি বাজার

ভিয়েতনামের সরবরাহ সংকট, ইন্দোনেশিয়ার দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১০, | ১৩:৪১:৪০ |
এশিয়ায় কফি বাজারে ভিয়েতনামের সরবরাহ কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রেতারা এখন বিকল্প হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার দিকে ঝুঁকছেন।

ভিয়েতনামের চাষীরা বর্তমানে কফি মজুদ করে রাখায় বাজারে কেনাবেচা কমে গেছে। অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ায় এখন কফি সংগ্রহের ভরা মৌসুম চলায় সেখানে ব্যবসায়িক কার্যক্রম বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

ভিয়েতনামের কফি উৎপাদনের প্রধান অঞ্চল সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসে বর্তমানে প্রতি কেজি কফি বিন ৩ ডলার ২৯ সেন্ট থেকে ৩ ডলার ৩৬ সেন্টে (৮৬ হাজার ৫০০ থেকে ৮৮ হাজার ৩০০ ডং) বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, অনেক চাষী বাড়তি লাভের আশায় কফি বিক্রি না করে মজুদ করে রাখছেন। ফলে সরবরাহের ঘাটতি মেটাতে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বড় কোম্পানিগুলো ভিয়েতনামি রোবাস্তা কফির পরিবর্তে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা রোবাস্তা কফি সংগ্রহ করছে।

আবহাওয়ার বিষয়ে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ভিয়েতনামের কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোয় কয়েক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টিপাত বেশ কম এবং আবহাওয়া শুষ্ক। এতে কফি গাছের খুব একটা ক্ষতি না হলেও দীর্ঘমেয়াদি অনাবৃষ্টির আশঙ্কায় অনেকেই উদ্বিগ্ন।

অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ায় কফি বিনের বাজারে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। মার্চে সুমাত্রা রোবাস্তা কফি রফতানি গত বছরের তুলনায় প্রায় ৬৮ শতাংশ কমেছে। তবে রফতানি কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে ইন্দোনেশিয়ান কফির চাহিদা ও দাম উভয়ই বাড়ছে। সুমাত্রা রোবাস্তা কফির প্রিমিয়ামের জন্য ব্যবসায়ীরা এখন টনপ্রতি ১০০-১৩০ ডলার পর্যন্ত দাম হাঁকাচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক বাজারে জুলাইয়ে সরবরাহের জন্য রোবাস্তা কফির দাম টনপ্রতি ৩৫ ডলার বেড়ে ৩ হাজার ৪১৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ভিয়েতনামের সরকারি তথ্যানুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ভিয়েতনাম প্রায় ৮ লাখ ১০ হাজার টন কফি রফতানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানির পরিমাণ ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়লেও আয় কমেছে প্রায় ৭ শতাংশ। এ সময়ে কফি রফতানি থেকে ভিয়েতনামের আয় হয়েছে ৩৬৯ কোটি ডলার।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..