নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি বাসায় গ্যাসে চুলা লিকেস থেকে আগুনের ঘটনায় একই পরিবারে নারী ও শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় ৫ জনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধরা হলেন মোহাম্মদ কালাম মিয়া(৪৭), তার স্ত্রী সায়েমা আক্তার (৩৮), ছেলে মুন্না (১২) ও তার দুই মেয়ে মুন্নি (১০), ও কথা (৫)। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মোহাম্মদ রাকিব জানান, দগ্ধ কালাম ভ্যানে করে সবজি বিক্রি করেন। আজ ভোরের দিকে তার স্ত্রী রান্নাঘরে চুলা জ্বালাতে ম্যাচ ঠুকতেই পুরো বাড়িতে আগুন ধরে যায়। এ সময় তিন সন্তানসহ স্বামী-স্ত্রী দগ্ধ হন। পরে আমরা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের ভর্তি রাখেন।
তিনি আরো জানান, কালামের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল থানা বলুকদিয়া গ্রামে। তিনি পরিবার নিয়ে কদমতলী গিরিধারা সাদ্দাম মার্কেটের পাশে নয়তলা ভবনের নিচতলায় থাকেন।
জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, কদমতলী গিরিধারা এলাকায় থেকে দগ্ধ হয়ে শিশুসহ পাঁচজন এসেছে। তাদের মধ্যে কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ, তার স্ত্রী সায়মার ৬০ শতাংশ, ছেলে মুন্নার ৩০ শতাংশ, মেয়ে কথার ৫২ শতাংশ ও আরেক মেয়ে মুন্নির ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ভর্তি রাখা হয়েছে।
এ জাতীয় আরো খবর..