✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

মালয়েশিয়ায় হত্যার শিকার সেই প্রবাসীর মরদেহ ফিরল দেশে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০২, | ১৩:৫০:১০ |
মালয়েশিয়ায় হত্যাকাণ্ডের শিকার ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার প্রবাসী যুবক নজরুল ইসলামের (৩২) মরদেহ দেশে ফিরেছে।

শনিবার (২ মে) সকালে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি গোবরডাঙ্গায় পৌঁছালে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরে সকাল ১০টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

নিহত নজরুল ইসলাম ওই গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছোট ছেলে। প্রবাসে হত্যার ১৮ দিন পর তার মরদেহ দেশে ফেরে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাত ৪টার দিকে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর সকালে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। এ সময় বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিহতের মায়ের নামে ৩৫ হাজার টাকার একটি চেক প্রদান করা হয়।

নিহতের স্বজনরা জানান, মালয়েশিয়ায় ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে নজরুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে তার মরদেহ পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একই ঘটনায় আরও এক বাংলাদেশি নারী কোহিনুর বেগমও নিহত হন। গত ১৪ এপ্রিল ওই হত্যাকাণ্ড ঘটে। ২০১৮ সালে উন্নত জীবনের আশায় মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি।

পরিবারের দাবি, মালয়েশিয়ায় একটি সমন্বিত খামার পরিচালনা করতেন নজরুল ইসলাম। সেখানে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালনসহ বিভিন্ন পোষা প্রাণীর ব্যবসা ছিল তার। ব্যবসায়িক সাফল্যের কারণে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয় এবং তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

নিহতের ভাই জহির উদ্দিন বলেন, ‘এর আগেও তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। সবকিছু গুছিয়ে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।’

নিহতের ভাগনি সাদিয়া ইসলাম মীম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘মামা বলেছিলেন সব বিক্রি করে দ্রুতই দেশে ফিরবেন। আমার মামা দেশে ফিরেছেন ঠিকই, কিন্তু তার দেহ নিথর।’

কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি বিদেশে হওয়ায় আমাদের কাছে সরাসরি কোনো তথ্য নেই। নিহত নজরুলের বাবা মোতালেব হোসেন ছেলের হত্যাকারীদের বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন বলে শুনেছি। এ ঘটনায় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর কাজ করবে। আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি।’

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..