ইরানের ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা মুখোমুখি বৈঠক করেছেন। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে হওয়া এ বৈঠকটি এ কারণে বেশ গুরুত্বপূর্ণ একই সঙ্গে ঐতিহাসিক।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলেছে, মুখোমুখি আলোচনার বিষয়টি ইঙ্গিত করছে আলোচনা কীভাবে যাচ্ছে। অর্থাৎ ইতিবাচক হচ্ছে।
প্রথমে পাকিস্তানের মাধ্যমে দুই দেশ আলোচনা করছিল। এরপর ওই দুই দেশ যখন দেখল তারা তাদের নিজস্ব পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করতে পারবে তখন তারা মুখোমুখি বৈঠকে বসল।
তবে এ আলোচনা কতটা সফল হবে সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।
বিবিসি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়েছে, ওই অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন।
যদি ইসলামাবাদের আলোচনা সফল হয়, দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং চুক্তিতে পৌঁছাতে রাজি হয় তাহলে অনেক স্বস্তির নিশ্বাস ফেলবেন।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমারা দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে। যেটির মধ্যে দিয়ে দেশটির জনগণকে যেতে হয়েছে। তারা এই আলোচনায় হয়ত আশার আলো দেখবেন।
তবে অনেক ইরানি আবার ভীত। তারা মনে করেন, বর্তমানে যারা নেৃতৃত্বে আছেন তারা আগের নেতৃবৃন্দের চেয়েও কঠোর। এছাড়া ইরানের সাধারণ মানুষের মনে জানুয়ারির আন্দোলন এখনো তাজা। ওই মাসে ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে গুলি করে হত্যা করেছিল।
সূত্র: বিবিসি
এ জাতীয় আরো খবর..