জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে রাজপথে সক্রিয় এবং ত্যাগী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, যারা রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এবং সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন, তাদেরই খুঁজে বের করা হবে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, নারীরা নেতৃত্বে আসুক। যত দ্রুত তারা আসবে, দেশের তত লাভ। নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ডসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংবিধানের ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী যোগ্য নারীদের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করবেন। আমাদের সংসদ নেতা (প্রধানমন্ত্রী) সব দিক বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেবেন যাতে সব সেকশনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়।
তিনি বলেন, যারা রিয়েলি রাজপথে ত্যাগী এবং সংসদে কন্ট্রিবিউট করতে পারবেন, তাদেরই আমরা খুঁজে বের করব। আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত নির্ভুল হবে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইন পাস সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম বলেন, আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের সকল মানুষের বিচার হবে। যিনি দোষ করেছেন তার বিচার হবে, নির্দোষ ব্যক্তি হয়রানির শিকার হবেন না। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। শেখ হাসিনা বা অতীত সরকার যা করে গেছেন, তার বিচার আইন অনুযায়ীই হবে।
সংসদের বর্তমান ব্যস্ততা ও অর্ডিনেন্স পাস প্রসঙ্গে চিফ হুইপ জানান, ইতোমধ্যে ৪৪টি অর্ডিনেন্স পাস করা হয়েছে। তিনটি বা চারটি অর্ডিনেন্স একটি বিলের মাধ্যমে এনে আমরা পাস করছি। বাকি যা আছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ইনশাআল্লাহ আমরা ১৩৩টি অর্ডিনেন্স নিয়ে একটা ফয়সালা করতে পারব।
কাজের চাপ সামলাতে আগামী শুক্রবারও সংসদের অধিবেশন চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, শুক্রবার আমরা প্রথম ও দ্বিতীয়, দুটি সেশনেই কাজ করব। এটি সংসদের ইতিহাসে বিরল কি না জানি না, তবে আমাদের কাজ করতে হবে। মানুষ আমাদের ভোট দিয়ে পাঠিয়েছে তাদের জন্য পরিশ্রম করতে।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি সংসদের একটি নিয়মিত রীতিনীতি। সংসদ সদস্যরা সংসদে কী কী বিষয় উত্থাপন করবেন এবং তাদের করণীয় কী, তা নিয়েই মূলত বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
এ জাতীয় আরো খবর..