বিশ্বজুড়ে উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ক্রেডিট কার্ডের ঋণের বোঝা এখন সাধারণ মানুষের নিত্যসঙ্গী।
তবে নিরাশার কথা হলো নিকট ভবিষ্যতে এ পরিস্থিতি উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই; বরং তা আরো খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষক অনুজ ভাটিয়া বলেন, কয়েক মাস ধরে চলা উচ্চ মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও মেমোরি চিপের বাড়তি দামে সাধারণ মানুষের পকেটে টান পড়ছে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
অ্যাপলের তথ্য বলছে, নতুন আইফোন ১৭-এর দাম অপরিবর্তিত থাকলেও পুরনো মডেলগুলোর (আইফোন ১৬ ও ১৫ সিরিজ) দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মেমোরি চিপের উচ্চমূল্যের কারণে স্যামসাংও গ্যালাক্সি এস২৬ সিরিজের দাম বাড়িয়েছে। একইভাবে মেমোরি চিপের সংকটে নতুন এম৫ ম্যাকবুক এয়ারের দাম এর পূর্বসূরির তুলনায় প্রায় ২১০ ডলার বেশি নির্ধারণ করেছে অ্যাপল।
একই সঙ্গে বাড়ছে বিনোদনের খরচও। চলতি বছর গেমারদের জন্য কোনো সুখবর নেই। একদিকে সনি প্লে স্টেশন ফাইভের দাম দ্বিতীয়বারের মতো বাড়িয়েছে। অন্যদিকে নিনতেন্দো ফিজিক্যাল গেমের দাম ডিজিটাল কপির চেয়ে বেশি রাখার ঘোষণা দিয়েছে। বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম স্ট্রিমিং সেবাও ব্যয়বহুল হচ্ছে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি নেটফ্লিক্স সব প্ল্যানের দাম বাড়িয়েছে।
যেখানে স্ট্যান্ডার্ড প্ল্যানের খরচ ১৭ ডলার ৯৯ সেন্ট থেকে বেড়ে ১৯ ডলার ৯৯ সেন্ট হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন খরচ ও উপাদানের মূল্য ২০২৭ সালের আগে স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে সামনের দিনগুলোয় সাধারণ মানুষকে হয় বাড়তি খরচ মেনে নিতে হবে অথবা তাদের প্রযুক্তিগত চাহিদায় কাটছাঁট করতে হবে।
এ জাতীয় আরো খবর..