ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থল রাজধানীর মোহাম্মদপুরে যাওয়ার পথে কুমিল্লার কালাকচুয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ নিহত মাদ্রাসা শিক্ষক মুফতি আব্দুল মমিনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) জুমার পর জানাজা শেষে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি গ্রামে শ্বশুর বাড়ির কবরস্থানে পাশাপাশি কবরে চারজনকে দাফন করা হয়।
নিহতদের জানাজার নামাজ পড়িয়েছেন বশাহাজী পাটওয়ারী বাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ। তিনি নিহত মমিনের শ্যালক।
নিহত মমিন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আইয়ুব আলী মাস্টার বাড়ির মৃত ইউনুস মুন্সীর ছেলে। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।
নিহত অন্যরা হলেন, মমিনের স্ত্রী ঝর্না বেগম (৪০), ছেলে সাইফ (৭) ও মেয়ে লাবিবা (১৮)। ঝর্ণা খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদের বোন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কালাকচুয়া এলাকায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে তারা মারা যান। এ ঘটনায় প্রাইভেটকারচালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন। তার বাড়ি বরিশাল জেলায়।
মমিনের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মমিনের গ্রামে বাবার বাড়িতে জমি নেই। এজন্য তারা সেখানে থাকতেন না। চাকরির কারণে ঢাকায় বেশি থাকতেন। ঈদে ছুটিতে এলে শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন তারা। তবে নিজগ্রামে জমি কেনার পরিকল্পনা ছিল তার।
খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমাদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আমার বোন, ভগ্নিপতি ও তাদের দুই সন্তান মারা গেছেন। পাশাপাশি কবরে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
এ জাতীয় আরো খবর..