বৃষ্টি থামলেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে কমছে না যানজট

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-১৮, | ২২:০৫:৫২ |
ঈদযাত্রার তৃতীয় দিন আজ। দুপুরের পর থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়। বিকেল ৫টার দিকে শুরু হয় বৃষ্টি। আর এতে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয় সড়কে। তবে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ঘরমুখী যাত্রীরা গন্তব্যের উদ্দেশে সড়কে নেমে পড়েন। মানুষের ঢল আর বৃষ্টির কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে ২১ কিলোমিটার জুড়ে দেখা দেয় তীব্র যানজট। পরে বৃষ্টি থামলেও এখনও কমেনি যানজট।

বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরের পর শিল্প অধ্যুষিত গাজীপুরের কয়েকশ’ শিল্প কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। ছুটি পেয়েই কর্মজীবী মানুষ নাড়ির টানে বাড়ির পথে রওনা হন।

উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় হাজার হাজার যাত্রীর অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ হতে থাকে। ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে আসা দূরপাল্লার পরিবহনগুলো চন্দ্রা টার্মিনালে প্রবেশের আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে নাকাল হতে হচ্ছে। চন্দ্রা থেকে জেলার কোনাবাড়ি উড়ালসড়ক ছাড়িয়ে নাওজোড় পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার অতিক্রম করেছে যানজট। অনেক যানবাহন গ্রাম ও শহরের ছোট ছোট পথ ব্যবহার করছে।

বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী সৌরভ জানান, বৃষ্টি থেমেছে, কিন্তু যানজট থামছে না। সড়ক পার হয়ে ওপার যাওয়ার কায়দাও নেই। ভাড়া বেশি সেটা সমস্যা না। কিন্তু যানজটের কষ্ট অনেক হচ্ছে।

শ্যামলী পরিবহনের চালক সুমন জানান, হঠাৎ বৃষ্টি নামায় মানুষ এদিক ওদিকে ছুটোছুটি শুরু করেছে। যানবাহনগুলোর তদারকি নেই। যে যার মতো সড়কে থেমে যাত্রী উঠাচ্ছে। এর জন্যই যানজট বাড়ছে।

এদিকে যানজট নিরসনে বৃষ্টির পর কয়েকটি স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও কোনো কাজে আসছে না। এ ব্যাপারে হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ট্রাফিক ইন্সপেক্টরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

চন্দ্রা এলাকায় টহলরত গাজীপুর জেলা ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট আলমগীর হোসেন  বলেন, যানজট কমাতে থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশসহ বহু স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছে। কিন্তু মানুষের চাপ অনেক বেশি। যানজট রাতের মধ্যেই কমে যাবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..