জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা প্রদান করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বিদ্যুৎ সাশ্রয়কল্পে কিছু নির্দেশনা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের কষ্ট যেন না বাড়ে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আন্তরিকভাবে সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে। সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন থেকে আরো দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
রবিবার (১৫ মার্চ) জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলাসংক্রান্ত একটি অনলাইন মতবিনিময়সভায় সভাপতির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এসব নির্দেশনা দেন। সভায় মন্ত্রিপরিষদসচিব, জনপ্রশাসনসচিব ও সব জেলা প্রশাসক অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
পরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
ডিসিদের দেওয়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ নির্দেশনা
• প্রতিদিন ডিপোর প্রারম্ভিক ও সমাপনী মজুত যাচাই করে রিপোর্ট প্রদান।
• ডিপো থেকে পেট্রল পাম্পে বরাদ্দ করা জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিতকরণ।
•.সব কাস্টমারের (পেট্রল পাম্প ডিলার, এজেন্সি ডিলার, প্যাকড পয়েন্ট ডিলার ও ডিরেক্ট কাস্টমার) সরবরাহ ও বিতরণ তদারকি করা।
• পেট্রল পাম্প বন্ধ হলে, কেন পাম্প বন্ধ তার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান ও ডিপোর সঙ্গে তেল সরবরাহের হিসাব ডাবল চেক করা।
• অবৈধ মজুদদারি রোধ করা।
• তেলের ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
• জ্বালানি তেলের পাচার বন্ধ করা।
• বেশি দামে যেন জ্বালানি তেল বিক্রি না করতে পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা এবং অপরাধ সংগঠিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা।
• জেলা পর্যায়ে নজরদারি বৃদ্ধি করা।
এ জাতীয় আরো খবর..