বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সালমান আলি আগার নাটকীয় রানআউট নতুন করে ক্রিকেটের স্পিরিট নিয়ে বিতর্ক জন্ম দিয়েছে। এবার পাক অলরাউন্ডার নিজে মুখ খুলেছেন বিষয়টি নিয়ে। তিনি স্বীকার করেছেন আউটটি আইনসম্মত। তবে তিনি বলেন, তিনি ভিন্নভাবে করতেন।
সালমান বলেন, ‘এটা আইনের মধ্যে আছে এবং আমি সবসময় আইন মেনে চলতে চাই। কিন্তু যখন স্পোর্টসম্যান স্পিরিটের কথা বলি, আমি মনে করি যেকোনো পরিস্থিতিতেই সেটা থাকা উচিত। আমার দৃষ্টিকোণ থেকে বললে, আমি ভিন্নভাবে করতাম। আমি স্পোর্টসম্যান স্পিরিট বেছে নিতাম।’
সালমান জানান, বলটি তার শরীরে লেগেছিল বলে তিনি মনে করেছিলেন খেলা থেমে গেছে। তিনি বলেন, ‘বলটি আমার প্যাডে ও পরে পিঠে লেগেছিল। তাই মনে হয়েছিল বল ডেড হয়ে গেছে। আমি শুধু তাকে বল ফিরিয়ে দিতে চাইছিলাম কারণ আমি রান নেওয়ার কথা ভাবিনি।’
বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ মিরাজের পক্ষে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি, বলটা তখনো ডেড হয়নি এবং আগা ক্রিজের বাইরে ছিলেন। বোলার হিসেবে বল তুলে নিলে সুযোগ পেলে সবসময় রানআউটের চেষ্টা করা হয়।’
মুশতাক মনে করেন পুরো ঘটনা এত দ্রুত ঘটেছে যে দুজনই স্বভাবতই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না কোনো খেলোয়াড়ই ভুল করেছেন। আগা সম্ভবত মনে করেছিলেন বল ডেড এবং সাহায্য করার চেষ্টা করছিলেন। আর মিরাজ পুরোপুরি খেলায় মনোযোগী ছিলেন এবং রানআউটের সুযোগ দেখেছিলেন।’
এই আউট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়। পাকিস্তানের কিছু সাবেক ক্রিকেটার প্রশ্ন তোলেন এটা ক্রিকেটের স্পিরিটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না।
এ জাতীয় আরো খবর..