জুলাই হত্যাকাণ্ড

কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন নিয়ে আদেশ ৩০ মার্চ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-১১, | ১৩:৩৬:৫৮ |
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৩০ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন।

এ মামলায় আসামিপক্ষে শুনানির জন্য আজকের দিন নির্ধারণ ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় কামরুল ও মেননের ডিসচার্জ বা অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন তাদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। গত ২ মার্চ প্রসিকিউশনের পক্ষে তাদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আর্জি জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল। তবে এ বিষয়ে আদেশের জন্য ৩০ মার্চ দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিনই জানা যাবে তাদের বিচার শুরু হবে কিনা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিমসহ অন্যরা।

মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় কামরুল ও মেননের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়। তারা আওয়ামী লীগ সরকার ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির প্ররোচনাসহ ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলে অভিযোগ প্রসিকিউশনের। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের হত্যা করা হয়।

এদিকে, আজ সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে কামরুল ও মেননকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২৩ জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট মেননকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই বছরের ১৮ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার হন কামরুল। এরপর থেকেই বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন প্রভাবশালী এই দুই নেতা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..