সর্বশেষ :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান পুলিশ-সোয়াট-ডগ স্কোয়াডের সমন্বয়ে মোহাম্মদপুরে চলছে অভিযান ইরানকে তিন পারমাণবিক কেন্দ্র ভেঙে ফেলার শর্ত দিলো যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাসের জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীল থাকতে চাই না : খনিজ সম্পদ মন্ত্রী লিবিয়া থেকে ফিরলেন ১৭৫ বাংলাদেশি সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিটি করপোরেশনের সব টেন্ডারের কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে হবে জিম্বাবুয়েকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জিইয়ে রাখল ভারত কালিয়াকৈরে রাতে ড্রেনের ম্যানহোলে পড়ে পথচারী শিশুর মৃত্যু

রাজধানীতে অপহৃত কিশোর উদ্ধারের ঘটনায় ৪ অপহরণকারী গ্রেপ্তার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-২৬, | ২২:৩৬:৫৮ |
ধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি হস্তক্ষেপে অপহরণের শিকার এক স্কুলছাত্রকে উদ্ধারের ঘটনায় চার অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তাররা হলেন– তানভীর আহমেদ ওরফে ফাহিম (২৩), ইশরাক ইয়ামিন লিখন (২০), হাসান আল বান্না ওরফে হাসলাম (২১) ও মোস্তাফিজ রহমান পুঞ্জ (২২)।

পুলিশ জানায়, তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা খন্দকার শামীমের একমাত্র ছেলে আরফান সাঈদকে অপহরণের ঘটনায় এই চক্রটি জড়িত। ডিসি মাসুদ আলম বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে উঠতি বয়সী তরুণদের মাদক ও নারীদের ফাঁদে ফেলে অপহরণ করে আসছিল। একইভাবে সাঈদকেও অপহরণ করে খিলগাঁওয়ের চামেলিবাগ এলাকায় নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

ছেলের অপহরণের ঘটনায় হতবিহ্বল বাবা মন্ত্রণালয়ে ছোটাছুটি করার সময় প্রধানমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে বিষয়টি তার নজরে আনেন। প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ বিষয়টি শুনে রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।


উদ্ধার অভিযানের বর্ণনা দিয়ে ডিসি মাসুদ বলেন, অপহরণকারীরা চামেলিবাগ এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে কিশোরটিকে জিম্মি করে রেখেছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে দ্রুততম সময়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা গেলেও জড়িতদের বিষয়ে কোনো তথ্য ছিল না। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তির সহায়তায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত ১০ থেকে ১২ জনের একটি দুর্ধর্ষ চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা তরুণদের অপহরণ করে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ আদায় করত এবং নির্যাতন চালাত। গ্রেপ্তারকৃতদের মোবাইল ফোনে নির্যাতনের বেশ কিছু ভিডিও পাওয়া গেছে।

এই ঘটনায় রমনা থানায় নিয়মিত আইনে মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও একজনকে খুঁজতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..