✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

যুক্তরাষ্ট্রের ‘সবচেয়ে নিকৃষ্ট’ অপরাধীদের তালিকায় ৮৯ ভারতীয়

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-০৮, | ১১:৪৮:৪৪ |
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওয়ার্স্ট অব দ্য ওয়ার্স্ট (সবচেয়ে নিকৃষ্ট)’ অপরাধীদের তালিকায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ৮৯ জনের নাম রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) চালু করা এই ডাটাবেসে প্রায় ২৫ হাজার ‘অবৈধ অভিবাসী অপরাধী’র তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এবং ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের (সিবিপি) হাতে গ্রেপ্তার ও পরে দণ্ডিত হওয়া খুনি, যৌন অপরাধী ও মাদক পাচারকারীদের সে তালিকায় রাখা রয়েছে। সবার জন্য উন্মুক্ত এই ডাটাবেসে দণ্ডিত ব্যক্তিদের নাম, ছবি, অপরাধের বিবরণ এবং জাতীয়তা প্রকাশ করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ডিএইচএস জানায়, ‘আমেরিকানরা যেন দেখতে পারেন আমরা কোন কোন অবৈধ অভিবাসী অপরাধীকে গ্রেপ্তার করছি, তারা কী অপরাধ করেছে এবং কোন কোন সম্প্রদায় থেকে তাদের সরানো হয়েছে—এই উদ্দেশ্যে WOW.DHS.GOV ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়েছে।

ডিএইচএস আরও জানায়, ডাটাবেসে গ্রেপ্তার হওয়া ২৫ হাজার ব্যক্তির তথ্য রয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, ‘এই দানবরা আমাদের সম্প্রদায়গুলোকে আতঙ্কিত করেছে। এদের প্রত্যেককে দেশ থেকে উৎখাত না করা পর্যন্ত আমরা থামছি না। যারা আইনগতভাবে আমাদের দেশে বসবাসের অনুমতি পায়নি, তাদের দ্বারা আমেরিকানদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কাম্য নয়।’

নির্বাচনি প্রচারণার সময় অবৈধ অভিবাসন দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশিদের প্রবেশাধিকার সম্পর্কিত একাধিক নির্বাহী আদেশ জারি করেন তিনি।

তবে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযান অনেক সময় সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি রিপাবলিকানদের মধ্যেও তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে সিনেটের ডেমোক্র্যাটরা আইসিই ও সিবিপির সংস্কারসংক্রান্ত একগুচ্ছ দাবির প্রেক্ষিতে ডিএইচএসের তহবিল অনুমোদন আটকে রেখেছেন। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে ফেডারেল কর্মকর্তাদের জন্য বডি ক্যামেরা ও পরিচয়পত্র পরা বাধ্যতামূলক করা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..