✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ইরানে সরকার পরিবর্তনের আশায় ট্রাম্পের দিকে তাকিয়ে ইসরায়েল

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-০২, | ১১:৫৩:৩৮ |
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি বাড়ানো নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে জল্পনা তুঙ্গে, তখন নীরব ইসরায়েল। চলতি মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানানো ছাড়া দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে খুব একটা কিছু বলেননি। তাঁর সরকারও একই অবস্থান নিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই নীরবতাই ইসরায়েলের কৌশল। দেশটির নেতৃত্ব এখন ইরানে সরকার পরিবর্তনের সুযোগ দেখছে; আর সেই লক্ষ্যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর ভরসা রাখছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থায় ২৫ বছর দায়িত্ব পালন করা এবং বর্তমানে ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের ইরান-বিষয়ক জ্যেষ্ঠ গবেষক ড্যানি সিত্রিনোভিচ বলেন, নেতানিয়াহুর কাছে এটি একধরনের ‘সোনালি মুহূর্ত’। পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের এত শক্তি মোতায়েন, আর ট্রাম্পের ইরান আক্রমণের খুব কাছাকাছি থাকা- এ সুযোগ তিনি হারাতে চান না।


ইসরায়েলের সাবেক সিগন্যালস ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের উপপরিচালক আসাফ কোহেনও মনে করেন, নীরবতার পেছনে পরিষ্কার কৌশল আছে। তাঁর ভাষায়, ইসরায়েলি নেতৃত্ব বিশ্বাস করে, এবার আমেরিকানদের সামনে এগোতে দেওয়া উচিত। তারা শক্তিশালী, তাদের সক্ষমতা বেশি এবং আন্তর্জাতিক বৈধতাও অনেক বেশি।

ইরানকে ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখেন নেতানিয়াহু। প্রকাশ্যে নীরব থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নীরব সমন্বয় অব্যাহত আছে। চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দাপ্রধান শ্লোমি বাইন্ডার ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই আলোচনায় ইরানে হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু নিয়েই কথা হয়েছে।

সিত্রিনোভিচের দাবি, নেতানিয়াহু ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘সর্বোচ্চ মাত্রার হামলার’ দিকে ঠেলে দিচ্ছেন, যার লক্ষ্য ইরানে সরকার পরিবর্তন।

তিনি বলেন, নেতানিয়াহু মনে করেন, আগের পরিকল্পিত হামলাগুলো ছিল খুবই সীমিত। তাঁর দৃষ্টিতে, ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি বন্ধ করতে হলে সরকার পরিবর্তন ছাড়া উপায় নেই; আর সেটা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষেই সম্ভব।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..