সর্বশেষ :
হিরোশিমা-নাগাসাকি হামলার ৮১ বছর: বর্তমান বিশ্বে পারমাণবিক পরিস্থিতি কি? বৃষ্টিতে ভেসে গেল ম্যাচ, সরাসরি বিশ্বকাপের স্বপ্নও শেষ আয়ারল্যান্ডের সূচকের উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা সারাদিন ফুরফুরে থাকতে সকালটা শুরু করবেন যেভাবে আড়াই বছর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ১১২ মরদেহ সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত করছে : রিজভী আইআরজিসির সংশ্লিষ্ট ইরাকি এয়ারলাইন্সের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ার খবর ‍উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনই মুসলিম বিশ্বের প্রধান ইস্যু, সমর্থন অটুট রাখবে ইরান

আসছে ‘বজরঙ্গি ভাইজান ২’

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৭-১৭, | ০৯:৩৭:৫৭ |

বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের ক্যারিয়ারে অন্যতম স্মরণীয় সিনেমা ‘বজরঙ্গি ভাইজান’। ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই মানবিক ও আবেগঘন ছবিটি দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। এবার সেই ব্লকবাস্টার ছবির সিক্যুয়াল নির্মাণের সম্ভাবনার কথা জানালেন ছবিটির পরিচালক কবীর খান।

সম্প্রতি ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কবীর খান বলেন, তিনি সবসময় তার পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। সালমান খানের সঙ্গেও তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং দুজন মিলে বিভিন্ন গল্প নিয়ে আলোচনা করেন। এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছে ‘বজরঙ্গি ভাইজান ২’-এর সম্ভাব্য গল্পও।

তবে কবীর খান স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি শুধুমাত্র জনপ্রিয়তার সুবিধা নিতে বা ঘোষণার জন্য সিক্যুয়াল তৈরি করতে চান না। তার ভাষায়, ”আমরা প্রথম ছবির জনপ্রিয়তাকে ভাঙিয়ে কিছু করতে চাই না। ‘বজরঙ্গি ভাইজান’-এর আবেগকে সম্মান জানিয়ে তবেই দ্বিতীয় পর্ব নির্মাণ করব। তাই সঠিক গল্প পাওয়াটাই এখন মুখ্য।”

পরিচালক আরও বলেন, তার পুরো পরিচালনা ক্যারিয়ারে তিনি কখনও কোনো সিনেমার সিক্যুয়াল বানাননি। কিন্তু ‘বজরঙ্গি ভাইজান ২’ নিয়ে তিনি উৎসাহী। তিনি এটিকে কেবল বক্স অফিস সাফল্যের দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং মূল ছবির উত্তরাধিকার ধরে রাখার চেষ্টার অংশ হিসেবেই বিবেচনা করছেন।

এছাড়া সালমান খানের ফের থাকাটাও সম্ভব বলে জানিয়েছেন কবীর খান। তবে তিনি মনে করেন, সিনেমার গল্পই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নায়ককে সামনে রেখে নয়, বরং শক্তিশালী গল্প দিয়েই সিনেমা তৈরি হওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ সিনেমায় এক বোবা পাকিস্তানি শিশুকে তার দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার মানবিক গল্প দেখানো হয়, যেখানে সালমান খান অভিনয় করেন এক উদার হৃদয়ের ভারতীয় তরুণের চরিত্রে। সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায় এবং দুই দেশের মানুষের মাঝে ভালোবাসা ও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..