সর্বশেষ :
ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে কর্মব্যস্ত মানুষ, দেরিতে ট্রেন ছাড়ার অভিযোগ ইরান যুদ্ধ: জরুরি ‘কোবরা’ বৈঠক ডেকেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অর্থনীতি বড় হুমকির মুখে: আইইএ প্রধান বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম, চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে হতাশা থেকে হুমকি দিচ্ছে তারা : ইরানের প্রেসিডেন্ট ট্যাঙ্কার যুদ্ধের দুঃস্বপ্ন, হরমুজে ফের ডুববে মার্কিন আধিপত্য? সংঘাতমুখী অবস্থান নিচ্ছে ইরানের নতুন নেতৃত্ব তিন সপ্তাহের হামলায় যা বোঝা গেল, আসলে কী চায় যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল? ইরান লন্ডনে হামলা চালাতে সক্ষম, ইসরায়েলের এমন দাবি নাকচ করল যুক্তরাজ্য হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রতিরক্ষা ঘাঁটি গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে: মার্কিন অর্থমন্ত্রী

শরীর নিয়ে দুশ্চিন্তা যেভাবে কাটিয়েছিলেন উরফি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৭-২৯, | ০৮:৩৫:০১ |

বলিউড অভিনেত্রী উরফি জাভেদের ঠোঁট ফুলে ঢোল হয়ে গিয়েছিল। ঠোঁটের ফিলার্স সরিয়ে ফেলতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছেন অভিনেত্রী। অবশেষে স্বাভাবিক চেহারায় ফিরেছেন তিনি।

এবার নিজের পুরোনো মানসিক সমস্যা নিয়ে কথা বললেন এই অভিনেত্রী। জানালেন একটা সময়ে খাওয়াদাওয়া প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। উরফি জানিয়েছেন, কীভাবে বডি ডিসমরফিক ডিজঅর্ডারের (বিডিডি) সঙ্গে লড়াই করেছেন।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে উরফি জাভেদ বলেছেন, লিপ ফিলার্স আর ব্যবহার করছেন না তিনি। তার বদলে লিপ প্লাম্পার ব্যবহার করছেন। নতুন রূপে ধরা দিয়ে এ উরফি বলেন, আমাকে নিয়ে অনেক মিম হয়েছে। কটাক্ষ সয়েছি। যদিও সেসব দেখে আমিও আনন্দ পেয়েছি। দেখুন ফির্লাসবিহীন আমার চেহারা। এবার থেকে এ ভাবেই দেখতে পাবেন আমাকে। যদিও এখানেও লিপ প্লাম্পার ব্যবহার করেছি।

তিনি বলেন, বিডিডিতে ভুগলে মানুষ নিজের শারীরিক ত্রুটি নিয়ে অতিরিক্ত ভাবতে শুরু করেন। নিজেকে কেমন দেখাচ্ছে, সেটি নিয়ে চিন্তা গ্রাস করে তাকে। তিন-চার বছর আগে এমন মানসিক অসুখেই আক্রান্ত হয়েছিলেন ।

 

উরফি বলেন, অতিমাত্রায় শীর্ণ হয়ে ওঠার বাসনায় খাওয়াদাওয়া পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছিলাম। এ সময়ে খাওয়াদাওয়ার পরিমাণ কোথায় গিয়ে পৌঁছেছিল, সেটিও জানান উরফি জাভেদ।

তিনি বলেন, সারা দিনে তিন থেকে চারটে মুরগির মাংসের টুকরোই ছিল তার একমাত্র খাবার। এর বেশি কিছু খাননি। শরীরচর্চার জন্য নিয়মিত দৌড়াতেন। জিমে যেতেন না।

উরফি বলেন, মানসিকভাবে আমি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলাম। সবসময়ে মেজাজ খুব খারাপ হয়ে থাকত। সবসময়ে রাগ হতো। কেউ আমার সঙ্গে কথা বলতে এলে মনে হতো—আরে আপনি আমার সঙ্গে কথা বলছেন কেন?

তিনি বলেন, কিন্তু এখন আমি জিমে যাওয়া শুরু করেছি। ভারোত্তোলন করি। ভালো করে খাওয়াদাওয়াও করি। এখন আর রোগা হওয়া নিয়ে আমি ভাবি না।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..