সর্বশেষ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী মা-মেয়েসহ ৪ খুনের ঘটনায় থানায় এজাহার ছেলের ইরানের আমন্ত্রণে দ্বিধায় নয়াদিল্লি, খামেনির শেষকৃত্যে মোদির অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, শেষ ষোলোতে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড? ‘আমাদেরও জেতার সুযোগ থাকবে’, ব্রাজিলকে হুঙ্কার জাপানের ৩৯ বছর বয়সেও কেন অনন্য মেসি, ব্যাখ্যা করলেন পেদ্রি বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্র করেও নকআউটে অস্ট্রেলিয়া, অপেক্ষায় প্যারাগুয়ে ইতিহাস গড়া সাফল্যে ইকুয়েডরে সরকারি ছুটি ঘোষণা শেষ দেখায় জয় পেয়েছিল জাপান, এবারও কি ব্রাজিল হারবে?

দ. কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসবে না উ. কোরিয়া

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৭-২৮, | ০৬:১১:৪২ |

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং। রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার মাধ্যমে সোমবার (২৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ংয়ের পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেন।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমধ্যম আল জাজিরা।

উত্তেজনাপূর্ণ আন্তঃকোরীয় সীমান্তে লাউডস্পিকার প্রচারণা বন্ধের মতো পদক্ষেপগুলোকেও তিনি ‘যা শুরুই করা উচিত ছিল না, তার একটি প্রত্যাবর্তনমাত্র’ বলে আখ্যায়িত করেন।

 

কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ)-এর মাধ্যমে প্রচারিত বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়া যদি মনে করে যে কয়েকটি আবেগপ্রবণ কথার মাধ্যমে পূর্বের সব সিদ্ধান্ত বদলে ফেলা যাবে, তাহলে এটি তাদের একটি মারাত্মক ভুল হিসাব।’

এছাড়াও, গত মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রী চুং ডং-ইয়ং কিম জং উনকে অক্টোবরে সিউলে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) শীর্ষ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোর পক্ষে সমর্থন প্রকাশ করলে কিম ইয়ো জং লি প্রশাসনের এই অবস্থাকে ‘দিবাস্বপ্ন’ বলে অভিহিত করেন।

কিম আরও বলেন, লি প্রশাসনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা জোটের প্রতি ‘অন্ধ বিশ্বাস’ এবং পিয়ংইয়ংয়ের সাথে ‘বিরোধিতা করার চেষ্টা’ ইয়ুন সুক-ইয়োলের রক্ষণশীল সরকারের নীতির থেকে আলাদা নয়।

কিম ইয়ো জং স্পষ্ট করে বলেন, ‘সিউল যেই নীতিই গ্রহণ করুক বা যে প্রস্তাবই দিক না কেন, আমরা এতে আগ্রহী নই। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আমাদের দেখা করার কোনো কারণ বা আলোচনার কোনো বিষয়ই নেই। ’

গত মাসে, ইয়ুন সুক-ইয়োলের সংক্ষিপ্ত সামরিক শাসন জারির পর প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া লি জে-মিয়ং বিভক্ত কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। ১৯৫০-৫৩ সালের কোরিয় যুদ্ধের পর থেকে দুই কোরিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..