সর্বশেষ :
সুন্দরবনে অস্ত্র-গুলিসহ ডাকাত ‘ছোট সুমন বাহিনী’র এক সদস্য আটক বিশ্বকাপ সামনে, তবু মেসিকে বিশ্রাম দিতে নারাজ ইন্টার মিয়ামি সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে মাঠে ফিরলো জাতীয় দল খেই হারিয়ে ফেলেছেন তিনি, সামনে কঠিন চার পথ: দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে কর্মব্যস্ত মানুষ, দেরিতে ট্রেন ছাড়ার অভিযোগ ইরান যুদ্ধ: জরুরি ‘কোবরা’ বৈঠক ডেকেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অর্থনীতি বড় হুমকির মুখে: আইইএ প্রধান বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম, চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে হতাশা থেকে হুমকি দিচ্ছে তারা : ইরানের প্রেসিডেন্ট ট্যাঙ্কার যুদ্ধের দুঃস্বপ্ন, হরমুজে ফের ডুববে মার্কিন আধিপত্য?

সেই নবজাতক ও ভাইবোনের সহায়তায় ব্যাংক হিসাব

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২২-০৭-১৯, | ১১:২৯:১৮ |

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ট্রাকচাপায় মা-বাবা-বোন হারানো সেই নবজাতক ও তার দুই শিশু ভাই-বোনের সহায়তায় ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে। সোমবার ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নবজাতকের দুই ভাই-বোন ও দাদাকে সোনালী ব্যাংক ত্রিশাল শাখায় নিয়ে একটি হিসাব খুলে দিয়েছেন। এতিম তিন শিশু প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তাদের দাদা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যৌথভাবে এটি পরিচালনা করবেন।

এদিকে ময়মনসিংহের বেসরকারি লাবিব হাসপাতালে চিকিত্সাধীন নবজাতককে এখন চার প্রসূতি পর্যায়ক্রমে দুধ পান করাচ্ছেন। হাসপাতালের পরিচালক মো. শাহ জাহান জানান, শিশুটি সুস্থ আছে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা চার প্রসূতি আগ্রহ নিয়েই নিজের সন্তানের পাশাপাশি নিয়ম করে এই নবজাতককে দুধ পান করাচ্ছেন।

তবে গতকাল পর্যন্ত শিশুটির নাম রাখা হয়নি। পরিবারের সঙ্গে আলাপ করে আকিকা দিয়ে নাম রাখা হবে বলে জানিয়েছেন ওই হাসপাতালের পরিচালক মো. শাহ জাহান।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, এতিম তিন শিশুকে যারা সহায়তা করতে চায় তাদের সুবিধার্থে একটি হিসাব খোলা হয়েছে। আগ্রহীরা এই অ্যাকাউন্টে (রত্না আক্তার রহিমা এর নবজাতক ও অন্য দুই সন্তানের সহায়তা, হিসাব নম্বর ৩৩২৪১০১০২৮৭২৮, সোনালী ব্যাংক, ত্রিশাল শাখা) সহযোগিতা করতে পারবেন। জেলা প্রশাসক এনামুল হকের নির্দেশে এই হিসাব খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউএনও।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত জাহাঙ্গীরের বাবা মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও মা সুফিয়া আক্তার দুজনই শারীরিক প্রতিবন্ধী। জাহাঙ্গীর-রত্না দম্পতির বেঁচে যাওয়া ওই নবজাতক ছাড়াও ১০ বছর বয়সী মেয়ে জান্নাত ও সাত বছর বয়সী ছেলে এবাদত রয়েছে। দাদা-দাদি দুজনই শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় এই তিন শিশুর ভরণ-পোষণ করা তাঁদের জন্য কঠিন।
গত শনিবার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে ত্রিশালের কোর্ট ভবন এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রাকচাপায় প্রাণ হারান অন্তঃসত্ত্বা রত্না (৩২), তাঁর স্বামী জাহাঙ্গীর (৪০) এবং তাঁদের ছয় বছরের মেয়ে সানজিদা। তবে মৃত্যুর আগে রত্নার প্রসব হয়ে যাওয়া বেঁচে যায় গর্ভের সন্তান।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..