✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-১১-০৪, | ০১:২৩:০৭ |মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ৫টি শর্ত দিয়েছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ। অন্যদিকে, গত রাতে কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরও তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তার ৫ শর্তের মধ্যে রয়েছে: লেবানন ও গাজা উপত্যকাসহ সব ফ্রন্টে শত্রুতার অবসান, সম্পূর্ণভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি সম্পদ ফেরত দেওয়া এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি এবং পশ্চিম এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর অধীনে ভবিষ্যতে আর কোনো আগ্রাসন না চালানোর নিশ্চয়তাও চাওয়া হয়েছে এই শর্তগুলোর মধ্যে।
গত ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল বনাম ইরান যুদ্ধ যেন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আরও বেড়ে না যায়, সেই আশঙ্কায় মধ্যস্থতা বাড়িয়েছে কাতার। দোহায় এক সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, গত সোমবার একটি কাতারি প্রতিনিধিদল তেহরানে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক করেছে। দুই পক্ষই এখন কাতারের দেওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে। আল-আনসারি সতর্ক করে বলেন, ইরানের ভূখণ্ড বা জাহাজে যেকোনো হামলা আলোচনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আল জাজিরার প্রতিবেদক রাসুল সেরদার আতাশ তেহরান থেকে জানান, দুই পক্ষের মধ্যে প্রধান সমস্যা হলো ‘অবিশ্বাস’। ইরান মনে করে, এর আগে যখন তারা কূটনীতিতে যুক্ত ছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্র দুইবার তাদের ওপর আক্রমণ করেছে। সে কারণেই তারা এখন সুস্পষ্ট পদক্ষেপ চাইছে।
এর আগে সোমবার মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, তারা কেশম দ্বীপে সীমিত হামলা চালিয়েছে, যা কোনো বড় আকারের যুদ্ধ নয়। আইআরজিসি মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা কেশমের দক্ষিণে দুটি মার্কিন নজরদারি ড্রোন এবং প্রণালির পূর্বে আরও একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এসব ঘটনার মধ্যে ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, ‘যুদ্ধ প্রতিরোধের বল এখন আমেরিকার কোর্টে।’