✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৯, | ১১:১২:৩৩ |আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬–২৭ মৌসুমের এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগের এলিট টুর্নামেন্টের লিগ পর্বের খেলা শুরু হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) টুর্নামেন্টের ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলা উত্তেজনার মধ্যেও ইরানের ক্লাবগুলো কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলবে।
তেহরানের এস্তেঘলাল এবং তাবরিজের ক্লাব ট্র্যাক্টর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দল আল আইন, আল ওয়াসল ও শাবাব আল-আহলি এবং কাতারের ক্লাব আল ঘারাফা, আল সাদ ও আল শামালের মুখোমুখি হবে। এস্তেঘলাল এবং ট্র্যাক্টর শক্তিশালী সৌদি আরবের দলগুলোর মুখোমুখি হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে।
ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরপর তেহরান আত্মরক্ষার্থে কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। তাদের দাবি, মার্কিন ঘাঁটিগুলো হামলার কাজে ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
হামলা শুরুর পর ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ঘরোয়া লিগ স্থগিত করা হয়েছিল। তবে গত সপ্তাহে তা পুনরায় শুরু হয়। এর মধ্যে একটি ম্যাচ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে এবং অন্যগুলো দর্শকসংখ্যার সীমাবদ্ধতা মেনে অনুষ্ঠিত হয়।
এএফসি এলিট টুর্নামেন্টে ১৬টি করে দল নিয়ে দুটি আঞ্চলিক জোন বা অঞ্চল রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলে সৌদি আরবের পাঁচটি প্রতিনিধি দল রয়েছে, যার মধ্যে জেদ্দার আল-আহলি অন্যতম। তারা টানা তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ী প্রথম ক্লাব হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে। তবে তাদের কোচ ম্যাথিয়াস জেইসলে এই মাসেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল নিউক্যাসলের দায়িত্ব নিতে ক্লাব ছেড়ে চলে গেছেন। রিয়াদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল আল-হিলাল তাদের পঞ্চম শিরোপার সন্ধানে রয়েছে, অন্যদিকে মে মাসে সৌদি প্রো লিগ জয়ের পর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নেতৃত্বে আল-নাসর আবারও এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে।
পূর্বাঞ্চলে জাপান গত দুটি আসরের ফাইনালে উঠেছিল; কাওয়াসাকি ফ্রন্টাল ও মাচিদা জেলভিয়া আল-আহলির কাছে পরাজিত হয়েছিল। যদিও এবার তাদের কেউই মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। ২০০৮ সালে গাম্বা ওসাকা শিরোপা জিতেছিল। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া থেকেও দুটি সাবেক চ্যাম্পিয়ন দল জেওনবুক হুন্দাই মোটরস এবং পোহাং স্টিলার্স অংশ নিচ্ছে।
প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ আটটি দল ‘রাউন্ড অফ ১৬’-এ উন্নীত হবে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শুরু করে পরবর্তী সব ম্যাচ সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হবে এবং ফাইনাল ম্যাচটি ১ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।