✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

অনলাইনে ৩৫৩ কোটি টাকার ভুয়া অর্ডার: জাপানি নারী গ্রেপ্তার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১১, | ১৪:৪২:৫৩ |

জাপানে অনলাইনে কেনাকাটার নামে অভিনব প্রতারণার অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মেউ ইয়োশিদা নামের ওই নারী প্রায় দুই বছর ধরে ২৩৮টি ভিন্ন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে দুই হাজারের বেশি ভুয়া অর্ডার করেন। এতে দেশটির খ্যাতনামা প্রকাশনা সংস্থা শুয়েশার প্রায় ৭৫ লাখ ইয়েন বা ৬০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।

ইয়োশিদা পেশায় রেস্তোরাঁকর্মী। তিনি শুয়েশার অনলাইন শপ ‘জাম্প ক্যারেক্টারস স্টোর’ থেকে জনপ্রিয় অ্যানিমে ও ম্যাঙ্গা সিরিজ ‘ওয়ান পিস’-এর বিভিন্ন পণ্য অর্ডার করতেন। তবে অর্ডার করা কোনো পণ্যই তিনি গ্রহণ করতেন না।

কখনো দোকান থেকে মূল্য পরিশোধ করে পণ্য সংগ্রহ করবেন বলে অর্ডার করলেও নির্ধারিত সময়ে তা নিতে যেতেন না। আবার কখনো নগদ মূল্যে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেও ডেলিভারি নেওয়া থেকে বিরত থাকতেন। অনেক ক্ষেত্রে তিনি ভুল বা কাল্পনিক ঠিকানাও ব্যবহার করতেন। ফলে নির্ধারিত সময়ের পর অর্ডারগুলো বাতিল হয়ে যেত।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এভাবে প্রায় ৪৩০ কোটি ইয়েন মূল্যের পণ্য অর্ডার করেছিলেন ইয়োশিদা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৫৩ কোটি টাকা। এসব অর্ডার প্রক্রিয়াকরণ ও পণ্য পাঠাতে গিয়ে প্রকাশনা সংস্থাটির প্রায় ৭৫ লাখ ইয়েন ব্যয় হয়।

একপর্যায়ে বিষয়টি বুঝতে পেরে প্রকাশনা সংস্থাটি পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। তদন্তের পর ইয়োশিদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন।

তবে কেন তিনি এ ধরনের প্রতারণা করতেন, সে বিষয়ে অদ্ভুত ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইয়োশিদা। তার দাবি, দৈনন্দিন জীবনের মানসিক চাপ কমাতেই তিনি এ কাজ করতেন। সীমিত সংস্করণের জনপ্রিয় পণ্য মজুত শেষ হওয়ার আগেই অর্ডার করতে পারলে তিনি একধরনের আত্মতৃপ্তি পেতেন এবং মানসিকভাবে স্বস্তি অনুভব করতেন। প্রকাশনা সংস্থাটির প্রতি তার কোনো ব্যক্তিগত ক্ষোভ ছিল না বলেও দাবি করেছেন তিনি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..